Image description

সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে রাজনৈতিক বিষয়ে লেখালেখিকে কেন্দ্র করে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) এক শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে যুবদল ও সাবেক ছাত্রদলের নেতাদের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জাহিদুর রহমান কুয়েটের ইলেকট্রনিক অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং (ইসিই) বিভাগের শিক্ষার্থী। গতকাল শনিবার খুলনার ফুলবাড়িগেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী জাহিদুর রহমানের অভিযোগ, পরীক্ষা শেষে ঈদে বাড়ি ফেরার জন্য তিনি ফুলবাড়িগেট এলাকার একটি বাস কাউন্টারে টিকিট কাটতে যান। সেখানে খানজাহান আলী থানা ছাত্রদলের সাবেক নেতা শুভসহ কয়েকজন তাকে ঘিরে ধরেন। একপর্যায়ে তারা জাহিদুরের মোবাইল ফোন কেড়ে নেন এবং ঘাঁটাঘাঁটি করেন। পরে স্থানীয় যুবদল নেতা মাসুম খান ঘটনাস্থলে গিয়ে কাঠের তক্তা দিয়ে তাকে বেধড়ক পেটান। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়।

ভুক্তভোগী জানান, তার চিৎকার শুনে কয়েকজন পথচারী তাকে উদ্ধার করে সিএনজি অটোরিকশায় তুলে দেন। নিরাপত্তার স্বার্থে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। হামলায় প্রায় ২০ জন অংশ নেয়। তারা জাহিদুরের মোবাইল ফোনও কেড়ে নেন। তিনি বলেন, ফেসবুকে দেওয়া বিভিন্ন পোস্টকে কেন্দ্র করেই হামলাকারীরা ক্ষুব্ধ ছিল। 

অভিযুক্ত মাসুম খান খানজাহান আলী থানা যুবদলের সভাপতি পদপ্রার্থী এবং শুভ থানা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি।  

নগরীর খানজাহান আলী থানার ওসি আবুল বাশার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিমকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভুক্তভোগী অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

এর আগে ২০২২ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে সামাজিক মাধ্যমে লেখালেখির অভিযোগে ছাত্রলীগের নির্যাতনের শিকার হন জাহিদুর রহমান। সে সময় তাকে মারধরের পর পুলিশে তুলে দেয় ছাত্রলীগ নেতারা।