Image description

ময়মনসিংহের নান্দাইলে মাদরাসার শ্রেণিকক্ষে ১৫ বছর বয়সী এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে রমজান আলী (২৪) নামে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর মধ্যপাড়া এলাকার 'তালীমুল উম্মাহ নূরে মদিনা কওমি মহিলা মাদরাসা ও এতিমখানা'য় এ অনভিপ্রেত ঘটনাটি ঘটে।

অভিযুক্ত শিক্ষক রমজান আলী নান্দাইল ইউনিয়নের ভাটি পাচাঁনী গ্রামের মো. আব্দুস ছালামের ছেলে।

ভুক্তভোগী পরিবারের লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো সকালে মাদরাসায় পড়তে যায় ওই শিক্ষার্থী। সকালে সে শ্রেণিকক্ষে একা থাকার সুযোগে শিক্ষক রমজান আলী কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে দেন। একপর্যায়ে তিনি জোরপূর্বক ছাত্রীর হাত ধরে যৌন নির্যাতনের চেষ্টা চালান। পরে ভুক্তভোগী ছাত্রী কোনোমতে কৌশল অবলম্বন করে দরজা খুলে বাইরে বের হয়ে স্বজনদের বিষয়টি অবহিত করে।

ধর্ষণচেষ্টার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় ক্ষুব্ধ জনতা মাদরাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক রমজান আলীকে আটক করে নান্দাইল মডেল থানা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে হেফাজতে নিয়ে আসে। একই দিন বিকেলে ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

তবে পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় অভিযুক্ত শিক্ষক রমজান আলী নিজের ওপর আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, "কোনো খারাপ বা অনৈতিক উদ্দেশ্যে ছাত্রীর হাত ধরিনি; আমাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।"

এ বিষয়ে নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম জানান, “ছাত্রীর বাবার পক্ষ থেকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ডিআর