Image description

সম্ভাব্য সামরিক হামলা ঘিরে উত্তেজনা চরমে পৌঁছানোয় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের সরাসরি যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। একই সঙ্গে ইরানের সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের মধ্যে যোগাযোগ স্থগিত করা হয়েছে।

এদিকে তেহরান মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোকে সতর্ক করে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে তাদের সামরিক ঘাঁটিও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।

এই প্রেক্ষাপটে তেহরানে ভারতীয় দূতাবাস তাদের নাগরিকদের ইরান ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছে। একই নির্দেশনা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া। নিরাপত্তাজনিত কারণে কাতারের দোহায় আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকেও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সরে যেতে বলা হয়েছে।

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) বিমান বাহিনীর কমান্ডার সরদার মুসাভি জানান, ইরানের সামরিক বাহিনী বর্তমানে প্রতিরক্ষামূলক প্রস্তুতির সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। ফার্স নিউজের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধের আগের তুলনায় ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত আরও বেড়েছে।

এদিকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কেউ হামলা চালালে তাদের জন্য “অনেক চমক” অপেক্ষা করছে। প্রেস টিভিকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি বাস্তবে রূপ নিলে শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত দেশ রক্ষা করা হবে, এবং হামলায় সহায়তাকারী দেশগুলোকেও বৈধ লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

নাসিরজাদেহ আরও জানান, গত বছরের জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘর্ষে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল, তা ইতোমধ্যে মেরামত করা হয়েছে এবং ইরানের সামরিক সক্ষমতা আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী হয়েছে।

মানবকণ্ঠ/আরআই