Image description

ঢাকার শ্যামলীতে প্রখ্যাত কিডনি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের মালিকানাধীন ‘সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি’ (সিকেডি) হাসপাতালে চাঁদাবাজির মামলায় প্রধান আসামি মঈন উদ্দিন ও তার দুই সহযোগীর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আলমের আদালত এই আদেশ দেন। রিমান্ডপ্রাপ্ত অন্য দুই আসামি হলেন— এমবি স্বপন কাজী (৩৬) ও মো. শাওন হোসেন (২৩)।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, এদিন আসামিদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও শেরেবাংলা নগর থানার এসআই মো. ছাব্বির আহমেদ। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল ও জামিন আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক প্রত্যেকের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত সোমবার একই মামলায় মঈন উদ্দিনের আরও চার সহযোগীকে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। তারা হলেন— মো. ফালান মিয়া, মো. রুবেল, মো. সুমন ও মো. লিটন মিয়া।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত শুক্রবার (১০ এপ্রিল) শ্যামলীর সিকেডি হাসপাতালে যুবদল নেতার পরিচয় দিয়ে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে মঈন উদ্দিন ও তার সহযোগীরা। এ ঘটনায় হাসপাতালের অস্ত্রোপচার কক্ষের ইনচার্জ আবু হানিফ বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন। ঘটনার পর র‍্যাব অভিযান চালিয়ে মঈনসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করে।

এদিকে চাঁদাবাজির ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলামসহ শীর্ষ নেতারা সিকেডি হাসপাতালে যান। তারা এই অপরাধের নিন্দা জানান এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

উল্লেখ্য, ডা. কামরুল ইসলাম দেশে স্বল্পমূল্যে কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য অত্যন্ত সুপরিচিত। বিশেষ করে করোনা মহামারির চরম সংকটের সময়েও তিনি নিরবচ্ছিন্নভাবে কিডনি প্রতিস্থাপন সেবা চালু রেখেছিলেন। এ পর্যন্ত তিনি এক হাজারের বেশি রোগীর সফল কিডনি প্রতিস্থাপন করেছেন।

মানবকণ্ঠ/ডিআর