ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে ডাকসু ও ‘স্পিরিট অব জুলাই’ আয়োজিত ‘কুয়াশার গান’ কনসার্টে বিনা মূল্যে সিগারেট বিতরণের ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। কনসার্ট চলাকালীন স্টল বসিয়ে তামাকজাত পণ্য বিতরণের এই ঘটনাকে বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের প্রকাশ্য লঙ্ঘন বলে দাবি করছেন শিক্ষার্থীরা।
ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ আইন ২০০৫ (সংশোধিত ২০১৩) অনুযায়ী, বিনা মূল্যে তামাক বিতরণ করা, বিজ্ঞাপন প্রচার করা বা উৎসাহিত করা নিষিদ্ধ। এ আইনে লঙ্ঘনের জন্য তিন মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা এক লাখ টাকা জরিমানা ধার্য করার বিধান রয়েছে।
ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ ফেসবুকে বলেন, “কনসার্টের আয়োজনের সময় তিনি গেস্ট ও স্টেজ ম্যানেজমেন্টে ব্যস্ত ছিলেন এবং মাঠে কী ঘটছিল তা সম্পর্কে অবগত ছিলেন না।”
তিনি স্পষ্ট করেছেন, স্পনসরের সঙ্গে চুক্তি বা শর্ত নির্ধারণে তিনি ব্যক্তিগতভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন না।
কনসার্টে স্লোগানও সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। মোসাদ্দিক যখন ‘কোটা না মেধা’, ‘গোলামি না সংস্কার’ ও ‘আপস না সংগ্রাম’ স্লোগান দেন, শিক্ষার্থীরা পাল্টা স্লোগান দেন—‘কোটা, কোটা’, ‘গোলামি, গোলামি’, ‘আপস, আপস’। এছাড়া ‘তুমি কে, আমি কে’ স্লোগানের উত্তরে শিক্ষার্থীরা তীর্যক স্লোগান দেয় ‘ইউরেনিয়াম, ইউরেনিয়াম’।
সাবেক শিক্ষার্থী আফছার মুন্না বলেছেন, যেকোন পরিবেশেই তামাকজাত পণ্যের বিজ্ঞাপন যেখানে নিষিদ্ধ সেখানে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ঘটনা আমাদেরকে লজ্জিত ও হতাশ করেছে।




Comments