Image description

পহেলা বৈশাখের উৎসবমুখর আবহে আশিয়ান গ্রুপের প্রধান কার্যালয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বৈশাখী মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলাম ভূঁইয়ার পক্ষে মেলার উদ্বোধন করেন তার মেয়ে অনামিকা ইসলাম ভূঁইয়া ও ছেলে শামসুল আরফিন ভূঁইয়া। এসময় উপস্থিত ছিলেন আশিয়ান গ্রুপের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, পরিচালক মো. জাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়াসহ গ্রুপের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও পরিচালকবৃন্দ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আশিয়ান গ্রুপের ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প আশিয়ান সিটিতে ঘোষণা করা হয়েছে আকর্ষণীয় মেগা অফার। আশিয়ান ল্যান্ডস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের আয়োজনে প্লট বুকিংয়ে রয়েছে বিশেষ সুবিধা। এককালীন মূল্য পরিশোধের সঙ্গে সঙ্গে রেজিস্ট্রেশন ও ৩০ শতাংশ ডিসকাউন্ট। এ ছাড়াও কিস্তিতে প্লট ক্রয়ের উপর থাকছে ২০ শতাংশ মূল্য ছাড়। এই সুবর্ণ সুযোগে স্বপ্নের আবাসিক প্লট কিনতে পারবেন গ্রাহকরা। অফারটি চলবে ২৭ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত। এছাড়া, বারিধারা ডিওএইচএস করভেশন হল মাঠ ও উত্তরা ফ্রেন্ডস ক্লাব প্রাঙ্গণে চারদিনব্যাপী বৈশাখী মেলায় আশিয়ান সিটির স্টল রয়েছে। মেলা প্রাঙ্গণেও পাওয়া যাবে একই আকর্ষণীয় অফার।

আশিয়ান গ্রুপ ২০০৫ সাল থেকে আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা খাতে বিশ্বস্ততার সঙ্গে কাজ করে আসছে। তাদের সবচেয়ে বড় ও প্রিমিয়াম আবাসন প্রকল্প আশিয়ান সিটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ঠিক বিপরীতে, কাওলা, দক্ষিণখান, আশকোনা ও খিলখেত এলাকায় অবস্থিত। রাজউক অনুমোদিত এই প্রকল্পটি ‘এ’ থেকে ‘এফ’ পর্যন্ত ছয়টি ব্লকে বিভক্ত।

আশিয়ান সিটিতে পাওয়া যাচ্ছে সাড়ে ৩, ৫, ৬, ১০ ও ২০ কাঠার রেডি প্লট, যা বাড়ি নির্মাণের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। এছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ২ থেকে ১০ বিঘা এবং প্রস্তাবিত অত্যাধুনিক ক্যাডেট কলেজের জন্য ২০ বিঘার বড় প্লটও রয়েছে। প্রকল্পটি ফ্লাইং জোন ও ফ্লাড ফ্লো জোনের আওতামুক্ত হওয়ায় বিনিয়োগের জন্য একদম নিরাপদ ও টেকসই।

২০২৭ সালের মধ্যে পুরো প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এখানে থাকবে আন্তর্জাতিক মানের অবকাঠামো, প্রশস্ত রাস্তা, সবুজায়ন, লেক, পার্ক, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল, শপিং কমপ্লেক্স ও মসজিদসহ সব নাগরিক সুবিধা। প্রকল্পটি বিমানবন্দর, উত্তরা, জয়দেবপুরসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকার সঙ্গে যুক্ত। প্রিমিয়াম লোকেশনে পরিকল্পিত এই আবাসন প্রকল্পটি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৪৮ ও ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত এ প্রকল্প গুলশান, বনানী, বারিধারা ও পূর্বাচল ৩০০ ফুট সড়ক থেকে মাত্র ২ কিলোমিটার দূরে। ড্যাপ অনুসারে ২০০ ফুট, ১০০ ফুট ও ৮০ ফুট প্রশস্ত রাস্তা দিয়ে পরিকল্পিত এই প্রকল্প যোগাযোগকে করেছে আরও সহজ ও আধুনিক। ফলে ভবিষ্যতে বিনিয়োগের মূল্য বহুগুণ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

আশিয়ান সিটিতে প্রায় সাড়ে ৭ একর জমির ওপর নির্মিত হচ্ছে হাকিম উদ্দিন ভূঁইয়া ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট অত্যাধুনিক মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতাল। আটতলা এই হাসপাতালে থাকবে জরুরি বিভাগ, আইসিইউ, অপারেশন থিয়েটার, কার্ডিওভাসকুলার ইউনিট, নিউরোলজি, নেফ্রোলজি, অর্থোপেডিকসহ সব বিশেষায়িত বিভাগ। সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও সুবিশাল গ্রিন ভিউ দিয়ে সাজানো হবে পুরো হাসপাতালটি।

উল্লেখ্য, আশিয়ান সিটিতে ইতোমধ্যে শত শত প্লট হস্তান্তর সম্পন্ন হয়েছে। অনেক খ্যাতিমান ব্যক্তি ও পরিবার এখানে প্লট কিনে বাড়ি নির্মাণ শুরু করেছেন। প্রকল্পের উন্নয়ন কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। ঢাকার এমন প্রিমিয়াম লোকেশনে পরিকল্পিত আবাসন প্রকল্প খুবই বিরল। মূল্য বাড়ার আগেই আশিয়ান সিটিতে প্লট বুকিং করে নিজের ও পরবর্তী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করুন।