Image description

মুরগির বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরতে শুরু করলেও কাটেনি বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট। একই সঙ্গে ঊর্ধ্বমুখী মসলার দাম। যদিও সপ্তাহ ব্যবধানে পটল, ঢ্যাঁড়স ও করোলার দাম কেজিতে ২০ থেকে ২৫ টাকা কমেছে, উল্টো বেগুনের দাম বেড়েছে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর কারওয়ানবাজারসহ আশপাশের কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, আগে যেখানে মাসিক বাজারে থলে ভরে যেত, এখন সেখানে দৈনন্দিন চাহিদা মেটাতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে ক্রেতাদের। এ কারণে সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও কারওয়ানবাজারে ক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলক কম।

সপ্তাহ ব্যবধানে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও সংকট পুরোপুরি কাটেনি। বিক্রেতারা বলছেন, বেশ কয়েকটি কোম্পানির তেল বাজারে একেবারেই পাওয়া যাচ্ছে না। তেল বিক্রেতা নাসিম বলেন, কিছু কোম্পানির তেল একেবারেই নেই, যা আসে তা দ্রুত শেষ হয়ে যায়।
 
এদিকে মসলার বাজারে বেড়েছে দাম। মাস ব্যবধানে কেজিতে ৫০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে এলাচ ও লবঙ্গের দাম। পোলাওয়ের চাল বিক্রি হচ্ছে কেজি ১৭৫ টাকায়। পাশাপাশি আমদানি করা বাদাম ও কিসমিসের দামও ঊর্ধ্বমুখী। ভোজ্যতেলের সংকটসহ নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় ক্রেতারা পড়েছেন চাপে।

ক্রেতারা বলছেন, আগে যে টাকা নিয়ে বাজারে আসতাম, এখন সেই টাকায় অর্ধেক জিনিসও পাওয়া যায় না। সবকিছুর দামই বাড়তি।
 
সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি দেখা গেছে। সপ্তাহ ব্যবধানে পটল, করোলা ও ঢ্যাঁড়সের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা কমেছে। শসা বিক্রি হচ্ছে কেজি ৪০ টাকায়। তবে বেগুনের দাম উল্টো বেড়ে কেজি ১০০ টাকায় উঠেছে।
 
মুরগির বাজারেও এসেছে কিছুটা স্বস্তি। সপ্তাহ ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা কমে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর সোনালি মুরগির দাম ৭০ টাকা কমে কেজি ৩৮০ টাকায় নেমেছে।
 
বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করায় দাম কমছে। মুরগি বিক্রেতা দিদার বলেন, আগে সরবরাহ কম ছিল, এখন আস্তে আস্তে বাড়ছে। তাই দামও কিছুটা কমেছে।