২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে আহত হন দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কুমার বিশ্বজিতের একমাত্র সন্তান কুমার নিবিড়। এরপর সব হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিয়েছে কুমার বিশ্বজিতের জীবনের। দীর্ঘ সময় ধরে কানাডার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিবিড়। পরে হাসপাতাল থেকে কানাডার মিসিসাগার একটি রিহ্যাব সেন্টারে নেওয়া হয় নিবিড়কে। শুরু থেকেই ছেলেকে সুস্থ করে তোলার তুমুল এক লড়াইয়ে রয়েছেন কুমার বিশ্বজিৎ। গান ছেড়েছেন, দেশ ছেড়েছেন। স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে দিনের পর দিন হাসপাতালে ছেলের পাশে থেকেছেন। হাসপাতাল থেকে কানাডার মিসিসাগার একটি রিহ্যাব সেন্টারের তত্ত্বাবধানে রয়েছে নিবিড়।
তবে স্বাভাবিক জীবনে এখনও ফেরা হয়নি নিবিড়ের। চলছে চিকিৎসা। সন্তানের মুখে বাবা ডাক শোনার প্রহর গুনছেন কুমার বিশ্বজিৎ। আশায় বুক বেঁধে আছেন এখনও। এই অপেক্ষার মাঝেই তাঁকে যাপিত জীবনের নানা কাজে থাকতে হয়। গান নিয়ে মঞ্চেও উঠতে হয়। গত বছর থেকে কানাডার বিভিন্ন কনসার্টে গাইতে দেখা যায় তাঁকে। পাশাপাশি আমেরিকা ও ইউরোপেরও কয়েকটি কনসার্ট করেছেন তিনি। তবে দেশের মঞ্চে দেখা হয়না তাঁকে। দেশে একবার এসেছিলেন। সেটাও কিছু দিনের জন্য। ফের কানাডাতেই উড়াল দেন। সেখান থেকেই চট্টগ্রামের ব্যবসা পরিচালনা করেন; গান নিয়ে বিভিন্ন কনসার্টে যোগ দেন।
আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে কানাডার টরন্টোর স্কারবরোতে গ্র্যান্ড সিনামন ব্যাংকোয়েট হলে বসবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলা। আর সেখানেই ‘বিসিই ভ্যালেন্টাইন ২০২৬
কুমার বিশ্বজিৎ লাইভ’ শিরোনামে কনসার্টে এককভাবে পারফর্ম করবেন কুমার বিশ্বজিৎ। আয়োজক কর্তৃপক্ষের পক্ষে স্থানীয় রিয়েলেটর দ্বীন ইসলাম সমকালকে নিশ্চিত করেছেন এই তথ্য। ইতোমধ্যে কনসার্টে র বিষয়ে টরন্টোতে সংবাদ সম্মেলনও করা হয়েছে। সেখানে জানানো হয়েছে, প্রবাসী বাংলাদেশিরা আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি কুমার বিশ্বজিৎকে নিয়ে লাইভ কনসার্টের আয়োজন করা হচ্ছে। নির্দিষ্ট পরিমাণ টিকিট মূল্যের বিনিময়ে দর্শনার্থীরা এই কনসার্ট উপভোগ করতে পারবেন।’
কনসার্টের বিষয়ে কুমার বিশ্বজিতের পক্ষ থেকেও নিশ্চিত করা হয়েছে। এর আগে গানে ফেরার বিষয়ে কুমার বিশ্বজিৎ জানিয়েছিলেন, কনসার্টে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা করছি। আসলে শ্রোতারাও আমার পরিবারের অংশ। চিন্তা করে দেখলাম, শ্রোতাদের জন্য গান করা উচিত। তাই কনসার্ট শুরু করেছি।




Comments