Image description

আজ শনিবার (২৪ জানুয়ারি) প্রদেশটির জরুরি উদ্ধারকারী সংস্থা ‘রেস্কিউ ১১২২’ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তুষারঝড়ে বিপন্ন পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে এখনও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) ওই এলাকায় একটি সামরিক অভিযান শুরুর আগমুহূর্তে বহু পরিবার যখন এলাকা ছেড়ে যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই তারা ভয়াবহ তুষারঝড়ের কবলে পড়েন। হিমাঙ্কের নিচে তাপমাত্রা এবং পিচ্ছিল পাহাড়ি রাস্তার প্রতিকূলতা জয় করে টানা ৩৬ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন কর্মীরা। 

রেস্কিউ ১১২২-এর মুখপাত্র বিলাল আহমেদ ফৈজি জানিয়েছেন, তিরাহ উপত্যকার বিভিন্ন এলাকা থেকে এ পর্যন্ত ৩৫০টি যানবাহন এবং ১,৫০০ জনেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া তুষারপাতে অসুস্থ হয়ে পড়া শতাধিক মানুষকে জরুরি প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

এই অভিযানে খাইবার, পেশোয়ার, মারদান, নওশেরা এবং সোয়াবি জেলা থেকে আসা ১০০ জনেরও বেশি উদ্ধারকর্মী অংশ নিচ্ছেন। তুষারপাতের ভয়াবহতার কারণে খাইবার জেলা প্রশাসন আপাতত তিরাহ উপত্যকা থেকে লোক সরিয়ে নেওয়ার কাজ স্থগিত করেছে এবং বাসিন্দাদের প্রতিকূল আবহাওয়া না কাটা পর্যন্ত বড়া এলাকার দিকে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছে।

এদিকে পাকিস্তানের অন্যান্য পাহাড়ি এলাকাতেও তুষারপাতের প্রভাব পড়েছে। জাতীয় হাইওয়ে ও মোটরওয়ে পুলিশ নাগরিকদের জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মুরি ভ্রমণে বিরত থাকতে বলেছে।