ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালানোর প্রয়োজন পড়বে না এমন আশাবাদের কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চলমান উত্তেজনার মধ্যেও ওয়াশিংটন সংঘাত এড়িয়ে কূটনৈতিক পথেই সমাধান খুঁজতে চায় বলে জানান তিনি।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, তেহরানের সঙ্গে তাঁর ইতোমধ্যে আলোচনা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এই সংলাপ অব্যাহত থাকবে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমি আলোচনা করেছি, আরও আলোচনা করব। এখনো সামরিক পদক্ষেপ এড়ানোর বাস্তব সুযোগ রয়েছে।”
এর আগে ট্রাম্প ইরানকে সতর্ক করে বলেছিলেন, তাদের জন্য সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ওই অঞ্চলে একটি বড় নৌবহর মোতায়েন করছে। তবে বৃহস্পতিবার স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্পকে নিয়ে নির্মিত একটি তথ্যচিত্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি তুলনামূলক সংযত অবস্থান নেন।
তিনি বলেন, “আমাদের একটি দল ইরানের দিকে যাচ্ছে, কিন্তু আশা করি সেটি ব্যবহার করার প্রয়োজন হবে না।” তাঁর এই বক্তব্যকে সামরিক উত্তেজনার পাশাপাশি আলোচনার পথ খোলা রাখার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা।
এদিকে ইরানও কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তেহরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র কোনো সামরিক হামলা চালালে তার জবাবে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও বিমানবাহী রণতরীগুলো লক্ষ্যবস্তু করা হবে। ইরানের এক সামরিক মুখপাত্র বলেন, সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া সীমিত থাকবে না এবং “তাৎক্ষণিক ও চূড়ান্ত জবাব” দেওয়া হবে।
চলমান এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের মধ্যেও ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্য কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনাকে নতুন করে সামনে এনেছে।
মানবকণ্ঠ/আরআই




Comments