Image description

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় দুবছর ধরে চলা ইসরাইলি আগ্রাসনের নামকাওয়াস্তে সমাপ্তি ঘটেছে একটি যুদ্ধবিরতির মধ্য দিয়ে। দখলদার বাহিনীর অত্যাচার ও হত্যাযজ্ঞ বন্ধ হয়েছে ভেবে গাজার বহু বাসিন্দা ফিরেছেন নিজ ভূমিতে। 

বাড়িঘর কিছুই অবশিষ্ট না থাকলেও ধ্বংসস্তুপের মধ্যে স্বপ্ন বুনছেন নিপীড়িত ফিলিস্তিনিরা। সেখানেও হামলা চালাচ্ছে ইসরাইলি বাহিনী। এখনো মাঝে মধ্যেই ঝরছে প্রাণ, দু-একদিন পর পরই লাশের সারিতে যুক্ত হচ্ছে ৫-১০ ফিলিস্তিনি।

এবার সেই বিধ্বস্তভূমিতে বিশাল সামরিক ঘাঁটি তৈরি করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। যেখানে পাঁচ সহস্রাধিক আন্তর্জাতিক সৈন্য মোতায়েন করা হবে বলেও জানা গেছে। 

হোয়াইট হাউসের পরিকল্পনা অনুযায়ী, দক্ষিণ গাজা উপত্যকায় একটি বিশাল সামরিক ঘাঁটি তৈরির পরিকল্পনা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। 

বৃহস্পতিবার দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের ঘোষিত ‘২০-দফা পরিকল্পনায়’ উল্লিখিত শান্তিরক্ষী বাহিনীর ব্যবহারের জন্য এই ঘাঁটি তৈরির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

ট্রাম্পের পরিকল্পনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ ‘বোর্ড অব পিস’ এর ওয়াশিংটনে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে বৈঠকে বসার ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগে এ প্রতিবেদন প্রকাশ হলো।

গার্ডিয়ানের তথ্য অনুযায়ী, এই ঘাঁটির আয়তন হবে ১ হাজার ৪০০ মিটার (প্রায় ৪ হাজার ৬০০ ফুট) বাই ১ হাজার মিটার (প্রায় ৩ হাজার ৩০০ ফুট) অর্থাৎ প্রায় ৩৫০ একর। 

ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্সের (আইএসএফ) পাঁচ সহস্রাধিক সৈন্যের আবাসস্থল হিসেবে সক্ষম এ ঘাঁটিতে দুই ডজনেরও বেশি ওয়াচ টাওয়ার (পাহারা মিনার), একটি ফায়ারিং রেঞ্জ, আইএসএফের মিশনের জন্য প্রয়োজনীয় সামরিক সরঞ্জামের গুদাম এবং ভূগর্ভস্থ আশ্রয়কেন্দ্রের একটি নেটওয়ার্ক অন্তর্ভুক্ত থাকবে।