Image description

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান উত্তজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে এবার পরোক্ষভাবে যুক্ত হলো যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ঘোষণা করেছেন যে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ও স্থাপনায় হামলা চালানোর উদ্দেশ্যে তাদের সামরিক ঘাঁটিগুলো ব্যবহারের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২ মার্চ) এক ভিডিও বার্তায় এই চাঞ্চল্যকর ঘোষণা দেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, ব্রিটেন এই সংঘাতে সরাসরি অর্থাৎ সম্মুখ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করবে না, বরং কৌশলগত ও সামরিক অবকাঠামোগত সহায়তা প্রদান করবে।

ভিডিও বার্তায় কিয়ার স্টারমার বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের বন্ধু রাষ্ট্রগুলো তাদের সুরক্ষায় আমাদের আরও জোরালো ভূমিকা রাখার অনুরোধ জানিয়েছে। বর্তমানে ব্রিটিশ যুদ্ধবিমানগুলো আকাশপথে যৌথ প্রতিরক্ষা অভিযানে অংশ নিচ্ছে এবং ইরানের ছোড়া বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ইতিমধ্যে সফলভাবে রুখে দিতে সক্ষম হয়েছে।”

হুমকি মোকাবিলায় কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “এই হুমকি পুরোপুরি বন্ধ করার একমাত্র পথ হলো ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে সেগুলোর উৎসস্থলেই ধ্বংস করে দেওয়া। অর্থাৎ ইরানের ভেতরে যেখানে এসব ক্ষেপণাস্ত্রের গুদাম রয়েছে বা যেখান থেকে এগুলো ছোড়া হয়, সেই লঞ্চারগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন। যুক্তরাষ্ট্র তাদের ‘সুনির্দিষ্ট এবং সীমিত প্রতিরক্ষা স্বার্থে’ ব্রিটিশ ঘাঁটিগুলো ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছিল এবং আমরা সেই অনুরোধ গ্রহণ করেছি।”

প্রধানমন্ত্রী স্টারমার আরও উল্লেখ করেন, যুক্তরাজ্যের প্রধান উদ্দেশ্য হলো ইরানকে প্রতিহত করা। এর ফলে পুরো অঞ্চলে ইরানের নির্বিচার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বন্ধ করা যাবে, ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষা পাবে এবং যারা এই সংঘাতের সঙ্গে জড়িত নয় এমন নিরপরাধ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

সূত্র: বিবিসি

মানবকণ্ঠ/আরআই