Image description

ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ইরানের চলমান সংঘর্ষের জের পড়েছে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজাতেও। সীমিত জ্বালানি সরবরাহ দ্রুত ফুরিয়ে আসছে এবং খাদ্যের মজুদ আরও কমে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। 

ইরানের সাথে যুদ্ধের কথা উল্লেখ করে ইসরায়েল যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলটিতে জ্বালানি ও পণ্যের প্রবেশ বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে অঞ্চলটিতে মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছে। 

এদিকে সোমবার রাতে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে তারা মঙ্গলবার ইসরায়েল থেকে গাজায় কেরেম শালোম ক্রসিং পুনরায় খুলে দেবে, যাতে "ধীরে ধীরে মানবিক সাহায্যের প্রবেশ" সম্ভব হয়, তবে কত পরিমাণ তা বলা হয়নি।

গাজা সম্পূর্ণরূপে ইসরায়েল ও মিশর থেকে ট্রাক দ্বারা আনা জ্বালানির উপর নির্ভরশীল এবং স্থানীয় কর্মকর্তারা বলছেন যে নতুন সরবরাহের অভাব হাসপাতালের কার্যক্রমকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে এবং পানি ও স্যানিটেশন পরিষেবাকে হুমকির মুখে ফেলবে। হামাসের সাথে ইসরায়েলের দুই বছরের যুদ্ধের পর গাজার বেশিরভাগ ফিলিস্তিনি অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

গাজায় জ্বালানি বিতরণ কার্যক্রম তদারকি করা জাতিসংঘের কর্মকর্তা করুণা হারম্যান বলেন, “আমি আশা করি আমাদের হাতে হয়তো আর কয়েকদিন সময় আছে,।”

গাজায় ফিলিস্তিনি সাহায্য নেতা আমজাদ আল-শাওয়া—যিনি জাতিসংঘ ও বিভিন্ন এনজিওর সঙ্গে কাজ করেন, তিনি বলেছেণ, বর্তমান মজুত অনুযায়ী জ্বালানি সরবরাহ আর তিন থেকে চার দিন স্থায়ী হতে পারে। সীমান্ত ক্রসিং বন্ধ থাকলে শাকসবজি, আটা ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মজুদও দ্রুত ফুরিয়ে যেতে পারে।

২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর থেকে, ইসরায়েল ৬৩০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে এবং ১,৭০০ জনেরও বেশি আহত করেছে।