ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তাদের বিশেষায়িত দল দেশের জাঞ্জান প্রদেশে সম্প্রতি মার্কিন বাহিনীর ফেলে আসা তিনটি জিবিইউ-৫৭ ম্যাসিভ অর্ডন্যান্স পেনিট্রেটর (এমওপি) ধ্বংস করতে এবং আরও একটি নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম হয়েছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে প্রাদেশিক আইআরজিসি বাহিনীর জনসংযোগ বিভাগ জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরাইলি সামরিক হামলার প্রেক্ষাপটে চলমান যুদ্ধবিরতি চলাকালীন অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ নিষ্ক্রিয় করার লক্ষ্যে পরিচালিত অভিযানে আকাশ থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য বাঙ্কার বাস্টার বোমাগুলো আবিষ্কৃত হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জাঞ্জানে আইআরজিসি’র কার্যক্রমের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল ‘তিনটি জিবিইউ-৫৭ বাঙ্কার বাস্টার ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত ও ধ্বংস করা এবং আরও একটি শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয় করা।’
বিশ্বের বৃহত্তম অ-পারমাণবিক বোমা হিসেবে পরিচিত জিবিইউ-৫৭ এমওপি হলো ৩০ হাজার পাউন্ড ওজনের একটি অস্ত্র, যা মাটির গভীরে প্রোথিত সুরক্ষিত স্থাপনা ধ্বংস করার জন্য তৈরি করা।
বিবৃতি অনুসারে, আইআরজিসি বাহিনী প্রদেশজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোকে দূষিত করার উদ্দেশে শত্রু যুদ্ধবিমান থেকে ফেলা ৯ হাজার ৫০০টিরও বেশি ছোট বোমাও শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয় করেছে।
সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির প্রতিবেদন অনুসারে, আইআরজিসি আরও বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র এবং রকেটও নিষ্ক্রিয় করেছে, যেগুলো এফ-১৫, এফ-১৬ এবং এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান থেকে ছোড়া হয়েছিল। যদিও সেগুলো অকার্যকর ছিল।
এছাড়া রকেটগুলোর মধ্যে ৫২টি ধ্বংস করা হয়েছে এবং আরও ১০টি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার জন্য সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র ও কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এদিকে, বিবৃতিতে জিবিইউ-৩৯ টাইপ দুটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্তের কথা জানানো হয়েছে, যেগুলো এর আগে প্রাদেশিক বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিহত ও ভূপাতিত করা হয়েছিল।




Comments