Image description

ইরানের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক আলোচনা এখন প্রধানত টেলিফোনের মাধ্যমেই সম্পন্ন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দীর্ঘ ১৮ ঘণ্টা বিমান সফর করে সশরীরে বৈঠকে বসাকে বর্তমান পরিস্থিতিতে ‘অযৌক্তিক’ বলে অভিহিত করেছেন তিনি। স্থানীয় সময় বুধবার (২৯ এপ্রিল) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

ট্রাম্প বলেন, “আমরা এখন তাদের সঙ্গে কথা বলছি এবং সামান্য একটি কাগজপত্র দেখার জন্য বা আলোচনার জন্য প্রতিবার ১৮ ঘণ্টা উড়াল দিয়ে যাওয়ার আর প্রয়োজন নেই। আমরা টেলিফোনেই প্রয়োজনীয় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি।”

উল্লেখ্য, গত ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও যুদ্ধ বন্ধে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি। এর আগে গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল, যার মেয়াদ পরবর্তীতে ট্রাম্প অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়িয়ে দেন। বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে এই সপ্তাহান্তে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের নির্ধারিত ইসলামাবাদ সফরটিও বাতিল করা হয়েছে।

মুখোমুখি বৈঠকের কার্যকারিতা নিয়ে ট্রাম্প বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে সবসময় সামনাসামনি আলোচনা পছন্দ করি, কারণ এটি সাধারণত বেশি ফলপ্রসূ হয়। কিন্তু যখন প্রতিটি ছোট আলোচনার জন্য ১৮ ঘণ্টা উড়তে হয় এবং আলোচনার বিষয়বস্তু সম্পর্কে আগে থেকেই ধারণা থাকে—তখন বারবার এমন সফর করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।”

তবে আলোচনার প্রক্রিয়া যা-ই হোক না কেন, নিজের কঠোর অবস্থানের কথা পুনরায় মনে করিয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যেকোনো স্থায়ী চুক্তি তখনই সম্ভব হবে যখন ইরান তাদের পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি পুরোপুরি ও স্থায়ীভাবে পরিত্যাগ করবে।

তথ্যসূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড

মানবকণ্ঠ/আরআই