Image description

ঢাকা আইনজীবী সমিতির ২০২৬-২৭ মেয়াদী কার্যকরী পরিষদ নির্বাচনে রেকর্ড পরিমাণ কম ভোট পড়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট বোরহান উদ্দিন। তাঁর মতে, রাষ্ট্রীয়ভাবে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাদের ভোটদান থেকে বিরত থাকা এবং গত দুই দিনের বৈরী আবহাওয়ার প্রভাবেই ভোটার উপস্থিতি আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে।

শুক্রবার (১ মে) ঢাকা আইনজীবী সমিতি ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বোরহান উদ্দিন বলেন, “অতীতের তুলনায় এ বছরের ভোট কাস্টিং খুব একটা কম নয়, তবে এটি আরও বেশি হওয়ার সুযোগ ছিল। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে প্রধান দুটি দলের একটি গ্রুপ—যাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড রাষ্ট্রীয়ভাবে নিষিদ্ধ, সেই গ্রুপের অনেক লিডার ও অ্যাক্টিভিস্টরা ভোটদানে বিরত ছিলেন। এ ছাড়া গত দুই দিনের দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণেও অনেক আইনজীবী ভোটকেন্দ্রে আসতে পারেননি।”

গত ২৯ ও ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে মোট ভোটারের মাত্র ৩৪ শতাংশ বা ৭ হাজার ৬৯ জন আইনজীবী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। অর্থাৎ ১৩ হাজার ৭১৬ জন আইনজীবী ভোটদান থেকে বিরত ছিলেন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত আটটি নির্বাচনের মধ্যে এটিই সর্বনিম্ন ভোট পড়ার রেকর্ড। এর আগে ২০১৮-১৯ সালে সর্বোচ্চ ৬২ শতাংশ এবং ২০২৪-২৫ সালে ৪৬ শতাংশ ভোট পড়েছিল।

এদিকে, ভোটগ্রহণ শেষে জামায়াতপন্থী আইনজীবীরা ‘জালভোট’ প্রদানের অভিযোগ তুললেও নির্বাচন কমিশন এবং বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে বলে দাবি করেছেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪-২৫ মেয়াদী সর্বশেষ নির্বাচনে ২১ হাজার ২০৮ জন ভোটারের মধ্যে ৯ হাজার ৬৯০ জন (৪৬ শতাংশ) ভোট দিয়েছিলেন। ওই নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ২৩টি পদের মধ্যে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাদা প্যানেল ২১টি পদে জয়লাভ করেছিল।

মানবকণ্ঠ/ডিআর