Image description

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার বলেছেন, আগামী ৬ মাসের মধ্যে ঢাকার সড়কে পূর্ণাঙ্গরূপে স্বয়ংক্রিয় মামলা চালু সম্ভব হবে। সার্জেন্ট বা ট্রাফিক পরিদর্শকদের ম্যানুয়াল মামলা খুব একটা করা লাগবে না। যেকোনো স্থানে ট্রাফিক আইন বা মোটর ট্রান্সপোর্ট আইন ভাঙলে স্বয়ংক্রিয় মামলা হবে। 

আজ সোমবার দুপুরে বিমানবন্দর ক্রসিং সৌর শক্তির ‘ট্রাফিক সিগন্যাল লাইট’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান ডিএমপি ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার। ডিএমপি কমিশনার বলেন, ইতোমধ্যে ঢাকার ৩০ পয়েন্টে এআই প্রযুক্তির ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। 

সফটওয়্যারের মাধ্যমে যানবাহনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল মামলা বা অটোমেটিক মামলা করা শুরু করেছি গত সপ্তাহ থেকে। এই সফটওয়্যারটি আইন ভঙ্গকারী যানবাহন শনাক্ত করে কয়েক সেকেন্ডের ভিডিও ফুটেজ তৈরি করছে। এই ভিডিও ফুটেজের ভিত্তিতে আমাদের সঙ্গে বিআরটিএ ডাটাবেজের যে কানেক্টিভিটি আছে, সেই কানেক্টিভিটির ঠিকানা থেকে মালিকদের ঠিকানা নিয়ে সেসব ঠিকানায় প্রসিকিউশন চিঠি পাঠানো হচ্ছে।

কয়েক সপ্তাহের মধ্যে মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে বা মোবাইলের এসএমএসের মাধ্যমে মামলার তথ্য পাঠানো হবে, সে অনুযায়ী তারা জরিমানা পরিশোধ করবে। বিভিন্ন পয়েন্টে সিগন্যাল লাইটের পোলগুলোতে পর্যায়ক্রমে এই ‘এআই বেজড সিসি ক্যামেরা’ স্থাপন করা হবে।

তিনি জানান, সিটি করপোরেশন গত কয়েক মাসে জাহাঙ্গীর গেট থেকে ইন্টারকন্টিনেন্টাল পর্যন্ত সাতটি ক্রসিংয়ে সিগন্যাল লাইট স্থাপন করেছে। এ ছাড়া গুলশান-১ নম্বরে আগে থেকেই ছিল, আর গুলশান-২ নম্বরেও সিটি কর্পোরেশন সিগন্যাল লাইন স্থাপন করেছে।

এর বাইরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন হাইকোর্ট ক্রসিং থেকে ইন্টারকন্টিনেন্টাল ক্রসিং পর্যন্ত ৬টা পয়েন্টে সিগন্যাল লাইট স্থাপন করছে, যা কয়েক দিনের মধ্যে চালু হবে। এর বাইরে ১৫টি পয়েন্টে ট্রাফিক সিগন্যাল লাইট স্থাপন করেছে ডিএমপি। পরে সিটি করপোরেশন ঢাকা মহানগরে আরো অনেক ট্রাফিক সিগন্যাল লাইট স্থাপন করবে।

তিনি বলেন, এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে গত এক সপ্তাহে ৩ শতাধিক মামলা হয়েছে। ভবিষ্যতে দেখা যাবে যে প্রতিদিন হয়তো ১ হাজার মামলা হবে।