Image description

নোয়াখালীর মেঘনার বঙ্গোপসাগরে জেগে উঠেছে নতুন ৩০টি চর। ফলে কয়েক হাজার একর নতুন ভূমি যুক্ত হতে চলেছে বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানায়। এরই মধ্যে ১ লাখ ৬৪ হাজার একর চরাঞ্চলের জমি ভূমি মন্ত্রনালয়ের নথিভুক্ত হয়েছে। বিচ্ছিন্নভাবে কিছু চরে ধান চাষ, গরু, মহিষ ও ভেড়ার চারণ ভূমি গড়ে উঠেছে। গবেষকরা বলছেন, জেগে ওঠা চর অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখবে।  

বঙ্গোপসাগরে প্রায় ৩ হাজার বছর ধরে জেগে আছে সন্দ্বীপ। বহু বছরের ভূমিক্ষয় ও পলিমাটিতে গড়ে ওঠেছে এই দ্বীপ জনপদ। ১৯৮৯ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ৩৬ বছরে সন্দ্বীপের পাশেই জেগে উঠেছে জাহাইজ্জার চর বা স্বর্ণদ্বীপ ও ভাসানচর। পরে ভাসানচরে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের স্থানান্তর করা হয়। মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন কেন্দ্র স্পারসোর গবেষণা চিত্র বলছে, প্রায় চার দশক ধরে সন্দ্বীপ, স্বর্ণদ্বীপ ও ভাসানচর এক হচ্ছে। 

নোয়াখালীর হাতিয়া, মেঘনা-বঙ্গোপসাগরে ঘেষে সবচেয়ে বেশি চর জাগছে। এখানে চর ঘাসিয়া, ঢালার চরসহ চারটি নতুন চরে জনবসতি শুরু হয়েছে। এছাড়া বেশকিছু বেলাভূমি গরু মহিষ, ভেড়ার চারণ এলাকা হয়ে উঠেছে। হাতিয়া দ্বীপের আশপাশের এলাকায় এমন আরও ত্রিশটি নতুন চর এখন দৃশ্যমান। 

পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ মহিনুজ্জামান বলেন, ‘প্রতি বছর ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন টন পলি জমা হয় আমাদের বঙ্গোপসাগরে। এখানে বাদাম, সয়াবিক, এমনকি ধানও খুব ভালো হচ্ছে। উড়ির চরে দেখা গেছে এখন প্রচুর ভালো ধান হচ্ছে। এ ধরণের ফসল উৎপাদনের ক্ষেত্রেও একটা ভালো সুযোগ তৈরি হচ্ছে।’