বান্দরবানে বাজারফান্ড প্লটের লিজের মেয়াদ ৯৯ বছরে উন্নীত করা ও বন্ধ রাখা ব্যাংক ঋণ পূর্বের মতো চালু করাসহ ৭ দফা দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন ভুক্তভোগীরা। মঙ্গলবার সকালে বান্দরবান প্রেস ক্লাবের সামনে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
দাবিগুলো হলো- বাজারফান্ড প্লটের লিজের মেয়াদ ৯৯ বছরে উন্নীত করা ও বন্ধ রাখা ব্যাংক ঋণ পূর্বের মতো চালু করা, জমি ক্রয়-বিক্রয় বা নামজারির ক্ষেত্রে তিন দফা এলআর ফান্ড বন্ধ করে ৬১ জেলার ন্যায় ভূমি ব্যবস্থাপনা ও রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা চালু করা, জমি ক্রয়-বিক্রয়, ব্যবসা, চাকরি, শিক্ষাসহ সবক্ষেত্রে রাজার সনদ বাতিল করা, হেডম্যান কার্যালয়ের পরিবর্তে সব উপজেলা ভূমি অফিসে ভূমির কর-খাজনা পরিশোধের অবাধ সুযোগ সৃষ্টি করা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষা, আইনশৃঙ্খলা ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে প্রত্যাহারকৃত ব্রিগেড ও ২৪৬টি সেনাক্যাম্প পুনরায় স্থাপন করা।
কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান কাজী মো. মজিবর রহমান। এ সময় অন্যদের মধ্যে বান্দরবানের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবুল কাশেম সওদাগর, বিশিষ্ট কাঠ ব্যবসায়ী আবুল বশর, পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ জেলা শাখার সহ-সভাপতি নুরুল আলম, জেলা শাখার সহ-সাধারণ সম্পাদক শাহজালাল, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আবছার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
কর্মসূচিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান কাজী মো. মজিবর রহমান বলেন, প্রশাসন এবং পার্বত্য জেলা পরিষদের সমন্বয়হীনতায় পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়ি-বাঙালি বৈষম্য বাড়ছে। প্রশাসনের আশ্বাসে নাগরিক পরিষদের হরতাল কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়েছিল। বাজারফান্ড জমি নিয়ে পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র এবং কালক্ষেপণ করা হচ্ছে। বাজারফান্ড প্লটের লিজের মেয়াদ ৯৯ বছরে উন্নীত করা ও বন্ধ রাখা ব্যাংক ঋণ পূর্বের ন্যায় চালু করা না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। তা না হলে টেক্স, স্কুল-কলেজ, সরকারি-বেসরকারি অফিস, যানবাহন চলাচল সবকিছু বন্ধ করে দেওয়া হবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম অচল করে দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলেও তার নেওয়া সিদ্ধান্তে এখনো চলছে পার্বত্য চট্টগ্রাম। শেখ হাসিনার করা চুক্তির সুফল ভোগ করে ৩০ হাজার বাঙালির খুনি সন্তু লারমা সরকারের পতাকাবাহী গাড়ি নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।




Comments