তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে প্রায় দুই দশক পর রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে নতুনদের প্রাধান্য দিলেও অভিজ্ঞ নেতৃত্বকেও সঙ্গে রেখেছেন তিনি। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবন-এর দক্ষিণ প্লাজায় নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা শপথ নেন।
নতুন সরকারে ২৫ জন মন্ত্রী রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৯ জন আগে তারেক রহমানের মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর সরকারের সময় মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। বাকি ১৬ জন এবারই প্রথম মন্ত্রী হয়েছেন। এছাড়া ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীই প্রথমবারের মতো দায়িত্ব পেয়েছেন।
খালেদা জিয়ার সরকারের অভিজ্ঞ ৯ মন্ত্রী
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর: ২০০১ সালে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে প্রথমে কৃষি প্রতিমন্ত্রী এবং পরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী: ২০০১ সালে চট্টগ্রাম-৮ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ: ২০০১ সালে কক্সবাজার-১ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী এবং পরে একই দপ্তরে মন্ত্রী ছিলেন।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু: সিরাজগঞ্জ-২ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে ২০০১–২০০৬ পর্যন্ত বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।
হাফিজ উদ্দিন আহমদ: ভোলা-৩ আসন থেকে সাতবার নির্বাচিত এই নেতা পানিসম্পদ, বাণিজ্য ও পাটমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।
কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ: জাতীয় পার্টি ও পরে বিএনপির মনোনয়নে নির্বাচিত হয়ে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
নিতাই রায় চৌধুরী: এরশাদ সরকারের সময়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এবং পরে মন্ত্রী ছিলেন।
আ ন ম এহসানুল হক মিলন: চাঁদপুর-১ আসন থেকে তিনবার নির্বাচিত হয়ে ২০০১–২০০৬ মেয়াদে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। পরীক্ষায় নকলবিরোধী অভিযানের জন্য সে সময় আলোচনায় আসেন।
আসাদুল হাবিব দুলু: যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপমন্ত্রী এবং ২০০১–২০০৬ সালে খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা উপমন্ত্রী ছিলেন।
নতুন ও পুরোনোদের সমন্বয়ে গঠিত এই মন্ত্রিসভা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে। অভিজ্ঞতার সঙ্গে নতুন নেতৃত্বের সমন্বয় কতটা কার্যকর হয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।
মানবকণ্ঠ/আরআই




Comments