Image description

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার অভিযোগ করেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অযোগ্য প্রার্থীরাও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) বিষয়টি তদন্ত না করে গভীর রাতে তড়িঘড়ি করে গেজেট প্রকাশ করেছে এবং নিজেদের দায়িত্ব শেষ মনে করেছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “যাঁরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার অযোগ্য, তাঁরা নির্বাচনে অংশ নিলে ফলাফলের সমীকরণ পরিবর্তিত হয়। তখন নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এ রকম প্রশ্ন থাকলেও ইসি তদন্ত করেনি, বরং রাতের গভীরে গেজেট প্রকাশ করে হাত মুছে নিয়েছে।”

বদিউল আলম মজুমদার আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচনের আগে অনেক প্রার্থীর বিরুদ্ধে ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। কিছু প্রার্থী আদালত থেকে স্টে অর্ডার নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন। সুজন এসব বিষয়ে তদন্তের পর সিদ্ধান্ত নেওয়ার এবং তারপর গেজেট প্রকাশ করার অনুরোধ জানিয়েছিল। তাছাড়া, নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সুষ্ঠু হয়েছে কি না তা সার্টিফাই করার সুপারিশও ছিল।

তিনি বলেন, তবু এখনো ইসির কাছে সুযোগ আছে। আরপিওর ৯১ ধারায় বলা হয়েছে, হলফনামা বা অভিযোগ উঠলে গেজেট প্রকাশের পরেও তদন্ত করে ইসি সিদ্ধান্ত নিতে পারে এবং প্রয়োজন হলে নির্বাচন বাতিলও করতে পারে।

সুজনের তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনে বিজয়ী ২৯৭ জনের মধ্যে ১৪৭ জন ঋণগ্রস্ত। তাঁদের মধ্যে ৩৬ জন পাঁচ কোটি টাকার ঋণশীর্ষে। আর ১২৬ জন বিএনপি থেকে নির্বাচিত। এছাড়া, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তুলনায় এই নির্বাচনে ঋণগ্রহীতার হার বেড়েছে; দ্বাদশ নির্বাচনে হার ছিল ৪৫ শতাংশ।

মানবকণ্ঠ/আরআই