Image description

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে সরকারি ছুটি আরও একদিন বাড়িয়েছে সরকার। আগামী ১৮ মার্চ (বুধবার) নির্বাহী আদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিসভার এই সিদ্ধান্তের কথা সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি জানান, "আজকের সভায় প্রথম সংসদ অধিবেশন নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি ১৮ মার্চ ঈদের ছুটির প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।"

টানা ৭ দিনের ছুটি: সরকারের নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টানা ৭ দিনের ছুটি পাচ্ছেন। ক্যালেন্ডার অনুযায়ী:

১৭ মার্চ (মঙ্গলবার): শবে কদরের নির্ধারিত সরকারি ছুটি।

১৮ মার্চ (বুধবার): নতুন ঘোষিত নির্বাহী আদেশের ছুটি।

১৯ ও ২০ মার্চ (বৃহস্পতি ও শুক্রবার): আগে থেকেই ঘোষিত নির্বাহী আদেশের ছুটি।

২১ মার্চ (শনিবার): ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য দিন (৩০ রোজা পূর্ণ হলে)।

২২ ও ২৩ মার্চ (রবি ও সোমবার): ঈদের পরের দুই দিনের নির্ধারিত ছুটি।

অর্থাৎ, ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা সাত দিন ছুটি ভোগ করবেন সরকারি চাকুরিজীবীরা।

১২ দিনের ছুটির সুযোগ: এদিকে, কৌশলী যাত্রীরা যদি ২৪ ও ২৫ মার্চ (মঙ্গল ও বুধবার) ব্যক্তিগত ছুটি বা ম্যানেজ করতে পারেন, তবে তারা টানা ১২ দিনের বিশাল ছুটি উপভোগ করতে পারবেন। কারণ, ২৬ মার্চ (বৃহস্পতিবার) মহান স্বাধীনতা দিবসের সাধারণ ছুটি এবং ২৭ ও ২৮ মার্চ (শুক্রবার ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি রয়েছে।

মূলত ঈদে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের ভোগান্তি কমাতে এবং মহাসড়কে যানবাহনের চাপ সামাল দিতেই সরকার এই দীর্ঘ ছুটির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে।

মানবকণ্ঠ/আরআই