Image description

সারাদেশে অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে সরকার। এ পর্যন্ত ৩ হাজার ৫৫৯টি বিশেষ অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩ লাখ লিটার অবৈধভাবে মজুত করা জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্মসচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

যুগ্মসচিব জানান, অভিযানে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ৯৬ হাজার ৩০৫ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে শুধু গত সোমবারেই ৮৭ হাজার ৭০০ লিটার তেল উদ্ধার করা হয়, যার বড় অংশই ডিজেল (৬৭,৪০০ লিটার)। অবৈধ মজুতের দায়ে এ পর্যন্ত ১ হাজার ২৪৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ৮৪ লাখ ৫১ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় ১৯ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বর্তমানে দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৩৯ মেট্রিক টন ডিজেল, ৭ হাজার ৯৪০ মেট্রিক টন অকটেন এবং ১১ হাজার ৪৩১ মেট্রিক টন পেট্রল মজুত আছে। এছাড়া ৪৪ হাজার মেট্রিক টনের বেশি জেট ফুয়েল সংরক্ষিত রয়েছে।

যুগ্মসচিব আরও বলেন, "এপ্রিল মাসে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট হওয়ার সম্ভাবনা নেই। ডিজেল পাচার রোধে সরকার সর্বোচ্চ সজাগ রয়েছে।" এছাড়া জ্বালানি সরবরাহে স্বচ্ছতা আনতে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহেই পরীক্ষামূলকভাবে 'ফুয়েল কার্ড' অ্যাপের কার্যক্রম শুরু হবে বলেও তিনি জানান। পাম্পে দীর্ঘ লাইনের বিষয়ে তিনি বলেন, এটি মূলত একটি মনস্তাত্ত্বিক বিষয়, কারণ ডিপো থেকে সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই।

মানবকণ্ঠ/আরআই