Image description

তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব আরও শক্তিশালী হবে বলে দেশের মানুষ বিশ্বাস করে। গুলশানে বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া অনুষ্ঠান শেষে এ কথা বলেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এদিকে, বিএনপির গুলশান ও নয়াপল্টন কার্যালয়ে রাখা শোকবইয়ে স্বাক্ষর করেছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা।

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই গুলশান কার্যালয়ে যান বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, বিশিষ্টজন এবং বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা। তাঁরা শোকবইয়ে স্বাক্ষর করে খালেদা জিয়ার জীবন ও কর্মের স্মৃতি লিপিবদ্ধ করেন এবং তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

এ সময় জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা একটি মামলায় তিনি দীর্ঘদিন কারাবাসে ছিলেন। কখনোই তিনি কোনো দলের বা ব্যক্তির প্রতি ব্যক্তিগত রাগ, ক্ষোভ বা আক্রোশ দেখাননি।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণের শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে জাতি গঠনে কাজ করবে বিএনপি। তিনি বলেন, ‘আমরা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শোককে শক্তিতে পরিণত করতে চাই। কিন্তু এটি দলীয় ভিত্তিতে নির্বাচনের কাজে ব্যবহার করার মতো সংকীর্ণতা আমাদের নেই। আমরা তাঁর শোককে জাতি বিনির্মাণে ব্যবহার করতে চাই।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্বকে শক্তিশালী করবে জাতীয়তাবাদী দল। তিনি বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদের যে দর্শন দিয়ে গেছেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়াই সেই পতাকা তুলে ধরেছিলেন। একইভাবে তারেক রহমানও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য কাজ করে যাবেন।’

এদিকে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়েও বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মীকে শোকবইয়ে স্বাক্ষর করতে দেখা গেছে। এ সময় তাঁরা বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া করেন।