Image description

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে জামায়াত, এনসিপি ও অন্যান্য দলের নিয়ে গঠিত ১১ দলীয় নির্বাচনী জোট নতুন রাজনৈতিক সমঝোতার ঘোষণা দিয়েছে। জোটের আওতায় ২৫৩টি আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং ৪৭টি আসন ফাঁকা রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, “আজকের পর থেকে জোটভুক্ত কোনো দলের আলাদা প্রার্থী থাকবে না। সবাই ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের প্রার্থী হিসেবে মাঠে থাকবেন।”

তিনি আরও জানান, পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে জনগণের পক্ষে এবং আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে নির্বাচনকে অর্থবহ ফলাফলের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে। নাহিদ ইসলাম বলেন, “সংস্কার, দেশের আজাদি, বৈষম্য ও দুর্নীতিবিরোধী রাজনীতির পক্ষে থাকা বিভিন্ন রাজনৈতিক দল আজ এক প্ল্যাটফর্মে এসেছে। আসন্ন নির্বাচন সেই আকাঙ্ক্ষার একটি বড় পরীক্ষা।”

সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ড. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের ১১ দলীয় জোটের আসন বণ্টনের বিস্তারিত তুলে ধরেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী:

* জামায়াতে ইসলামী – ১৭৯টি আসন
* এনসিপি – ৩০টি আসন
* বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস – ২০টি আসন
* খেলাফত মজলিস – ১০টি আসন
* এলডিপি – ৭টি আসন
* নেজামে ইসলাম পার্টি – ২টি আসন
* আমার বাংলাদেশ পার্টি – ৩টি আসন
* বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি – ২টি আসন

এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির জন্য আসন বণ্টন এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ইসলামী আন্দোলন জোটে থাকছে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে, কারণ দলটি শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছায়নি।

মানবকণ্ঠ/আরআই