ফাইল ছবি
ইসলামী আন্দোলন জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় ১০ দলীয় জোটে তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ। দলটির জন্য আগে বরাদ্দ থাকা ৫৩টি সংসদীয় আসন এখন জোটভুক্ত দলগুলোর মধ্যে ভাগাভাগি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে লিয়াজোঁ কমিটি।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানান, লিয়াজোঁ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জোটের শরিকদের মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে এই আসনগুলো বণ্টন করা হবে।
এর আগে সকাল থেকে জামায়াতের মগবাজারস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নির্বাহী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৈঠকে আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনী প্রচারের পরিকল্পনা এবং জোটের অভিন্ন ইশতেহার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ ছাড়া এই জোট ক্ষমতায় আসলে রাষ্ট্র পরিচালনার নীতিমালা (পলিসি) নিয়েও আলোচনা করেন নেতৃবৃন্দ।
এদিকে খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক সাংবাদিকদের জানান, ইসলামী আন্দোলনকে বাদ দিয়েই বাকি আসন বণ্টন নিয়ে চূড়ান্ত সমঝোতা চলছে। তবে ইসলামী আন্দোলন জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পেছনে জোটের নেতৃত্বের কিছুটা ব্যর্থতাও দেখছেন তিনি।
উল্লেখ্য, ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে জামায়াতের সম্পর্কে টানাপোড়েনের মধ্যেই গত বৃহস্পতিবার ১১ দলীয় জোটের আসন বণ্টন চূড়ান্ত হয়েছিল। তখন ৫৩টি আসন ফাঁকা রেখে ২৪৭টি আসনে জোটের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছিল।
প্রাথমিক ঘোষণা অনুযায়ী, জামায়াতে ইসলামী ১৭৯, এনসিপি ৩০, খেলাফত মজলিস ২০, খেলাফতে মজলিস (একাংশ) ১০, এলডিপি ৭, এবি পার্টি ৩, নেজামে ইসলাম ২ এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি ২ টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা ছিল।
তবে শুক্রবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটে না যাওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয় ইসলামী আন্দোলন। দলটি জানায়, তারা ২৬৮টি আসনে এককভাবে নির্বাচন করবে এবং বাকি ৩২টি আসনে বিএনপি ও জাতীয় পার্টি বাদে অন্যান্য সমমনা প্রার্থীদের সমর্থন দেবে।




Comments