Image description

ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিদ্রোহী প্রার্থী (স্বতন্ত্র) হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় সাইফুল ইসলাম ফিরোজকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই বহিষ্কারের কথা জানানো হয়।

জেলা বিএনপির কাছে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে সাইফুল ইসলাম ফিরোজকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো। একই সঙ্গে তাকে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদসহ সংগঠনের সকল পর্যায়ের দায়িত্ব থেকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বিএনপির সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের বহিষ্কৃত এই নেতার সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা জানান, “সাইফুল ইসলাম ফিরোজের বহিষ্কার সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় চিঠির অনুলিপি আমরা হাতে পেয়েছি। ঝিনাইদহ-৪ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের একমাত্র বৈধ প্রার্থী বিএনপি মনোনীত রাশেদ খান। আমরা কালীগঞ্জ এলাকার সকল নেতাকর্মীকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।”

বহিষ্কারের বিষয়ে সাইফুল ইসলাম ফিরোজ বলেন, “আমি এখনো চিঠির হার্ডকপি হাতে পাইনি, তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখেছি। আমি মাঠের রাজনীতি করা মানুষ। গ্রামের সাধারণ ও খেটে খাওয়া মানুষ আমাকে প্রার্থী হিসেবে চায়, তাই আমি মাঠে আছি। বহিষ্কারের বিষয়ে আমি বিন্দুমাত্র চিন্তিত নই।”

উল্লেখ্য, আসন্ন নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার অপরাধে সারা দেশেই হার্ডলাইন বেছে নিয়েছে বিএনপি। ঝিনাইদহ-৪ আসনে এই বহিষ্কারের ফলে নির্বাচনী সমীকরণে নতুন প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটাররা।

মানবকণ্ঠ/ডিআর