Image description

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে হওয়া সাক্ষাৎকে জাতীয় রাজনীতির জন্য এক ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ বলে অভিহিত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে তিনি তারেক রহমানকে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অগ্রিম অভিনন্দন জানিয়েছেন।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় জামায়াত আমিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে তাঁর বাসভবনে যান তারেক রহমান। এই বৈঠকের পর ডা. শফিকুর রহমান নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তাঁর অনুভূতি ও আলোচনার সারসংক্ষেপ তুলে ধরেন।

ফেসবুক পোস্টে জামায়াত আমির লিখেন, ‘বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অগ্রিম অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমার আবাসিক কার্যালয়ে তাঁর এই আগমন রাজনৈতিক পরিপক্কতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার এক নতুন অধ্যায় সূচনা করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি এমন এক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখি যা হবে ফ্যাসিবাদমুক্ত, সার্বভৌম এবং ইনসাফ ও ন্যায়বিচারের ওপর প্রতিষ্ঠিত। জামায়াতে ইসলামী ১১-দলীয় জোটের সাথে মিলে একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও আধুনিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনার বিষয়বস্তু জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা এবং বিরোধী দলের কর্মী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যেকোনো ধরনের হামলা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন বলে তারেক রহমান আমাকে আশ্বস্ত করেছেন। তাঁর এই আশ্বাসকে আমি সাধুবাদ জানাই। দেশের কোনো নাগরিকই যেন ভয়ভীতি বা নিরাপত্তাহীনতার শিকার না হয়—এটাই আমাদের কাম্য।’

নতুন সংসদে জামায়াতের ভূমিকা পরিষ্কার করে তিনি উল্লেখ করেন, জাতীয় স্বার্থে সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতা করা হলেও একটি আদর্শিক বিরোধী দল হিসেবে তাঁরা আপসহীন থাকবেন। সরকারের জনকল্যাণমূলক কাজে সমর্থন থাকলেও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংসদে সোচ্চার থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। জামায়াত আমিরের মতে, তাঁদের উদ্দেশ্য সংঘাত নয় বরং সংশোধন এবং বাধা দেওয়া নয় বরং গঠনমূলক পর্যবেক্ষণ।

মানবকণ্ঠ/ডিআর