শেহরীন আমিন চৌধুরী মোনামী। ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষক শেহরীন আমিন চৌধুরী মোনামী আবারও নতুন করে আলোচনায় এসেছেন। এবার তিনি আলোচনায় এসেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত থেকে। অনুষ্ঠান শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট করে নিজের ভালো লাগার কথা প্রকাশ করেছেন তিনি।
শিক্ষিকা মোনামী তাঁর ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমি একাদশ দলীয় জোটের অন্তর্ভুক্ত এনসিপি ও জামায়াত—উভয় দলের ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পেরে সম্মানিত বোধ করেছি। আমি আশাবাদী, এই নির্বাচন গণতন্ত্রকে আরো শক্তিশালী করবে এবং জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাবে।’
তাঁর এই পোস্ট এবং জামায়াতের অনুষ্ঠানে উপস্থিতি নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
শেহরীন আমিন চৌধুরী মোনামী প্রথম দেশব্যাপী আলোচনায় আসেন ২০২৪ সালের জুলাই মাসে। কোটা সংস্কার আন্দোলনের অংশ হিসেবে ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচি পালনকালে পুলিশের হাতে আটক হওয়া এক শিক্ষার্থীকে ছাড়াতে গিয়ে তিনি আহত হয়েছিলেন। সে সময় এক নির্ভীক শিক্ষক হিসেবে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের কাছে তিনি প্রশংসিত হন।
পরবর্তীতে ডাকসু নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকালে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের জিএস প্রার্থী তানভীর বারী হামিমের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে আবারও আলোচনায় আসেন এই শিক্ষিকা। ওই ঘটনাটি সে সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার জন্ম দিলেও পরে হামিম তাঁর আচরণের জন্য মোনামীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন।
বিগত বছরগুলোতে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের কর্মসূচিতে সক্রিয় থাকা এই শিক্ষিকার রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নানা মহলে চর্চা থাকলেও, জামায়াত ও এনসিপির নির্বাচনি অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতি এবং ‘সম্মানিত’ বোধ করার বিষয়টি নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার অনুষঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments