Image description

বাংলাদেশের সাথে ভারতের রাজনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়ন গড়িয়েছে বহুদূর। ক্রিকেট থেকে এখন সেটি চলে গেছে অলিম্পিকের দোরগোড়ায়। আইসিসি বাংলাদেশের আবেদন মেনে না নিলেও, অলিম্পিক কমিটি ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের কথা ভাবতে শুরু করেছে। সম্পর্কের উন্নতি না হলে আয়োজক হওয়ার দৌড় থেকে কাটা যেতে পারে ভারতের নাম।

২০৩৬ সালের অলিম্পিক আয়োজনের জন্য বিড করছে ভারত। অন্যদিকে নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারতে আসন্ন ২০২৬ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যাবে না বাংলাদেশ। অলিম্পিক কমিটির কাছে এ বিষয়গুলো কঠোর। রাজনৈতিক সমস্যা কিংবা নিরাপত্তাজনিত কারণে আয়োজনের জন্য বিড করা দেশে কোন রাষ্ট্র যেতে না পারলে বা অস্বীকৃতি জানালে অলিম্পিক আয়োজনের জন্য সে দেশ আর বিড করতে পারবে না।

আহমেদাবাদে ২০৩৬ সালের অলিম্পিক আয়োজন করতে চেয়েছিল ভারত। ইতিমধ্যে গেল মাসে ২০৩০ কমনওয়েলথ গেমসের আয়োজক হিসেবে নিশ্চিত করা হয় দিল্লিকে।

আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি) রাজনীতির হস্তক্ষেপ একদমই প্রশ্রয় দেয় না, যেখানে আইসিসি তুলনামূলকভাবে বেশ ছাড় দেয়।। আইওসির একটি সূত্র ইংলিশ গণমাধ্যমে বলেছে, যদি ভারতের কারণে অন্য দেশগুলো অলিম্পিক বয়কট করে, এরকম আশঙ্কা থাকে, তাহলে ভারতকে কখনোই অলিম্পিক আয়োজনের দায়িত্ব দেয়া হবে না।।

অলিম্পিক সনদে বলা আছে, ক্রীড়া সংস্থাগুলোকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে হবে। তাদের নিজস্ব নিয়মকানুন এবং শাসনব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, বাইরের রাজনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত থাকতে হবে। আইওসির ৫০.২ ধারায় বলা আছে, অলিম্পিক গেমস চলাকালীন কোনো রাজনৈতিক বা ধর্মীয় মতামত প্রকাশ করা যাবে না।