Image description

বাংলাদেশের ক্রিকেট অঙ্গনে বড় এক রদবদলের হাওয়া বইছে। পাকিস্তানের বিপক্ষে আসন্ন দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ শেষেই জাতীয় দলের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন। তবে এটি কোনো প্রস্থান নয়, বরং দেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে নতুন এক চ্যালেঞ্জ নিতে যাচ্ছেন তিনি।

বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) হাইপারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিটের প্রধান কোচের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন দেশের এই অভিজ্ঞ কোচ। জাতীয় দলের ড্রেসিংরুমের অভিজ্ঞতা এবার তিনি তরুণ ও উদীয়মান ক্রিকেটারদের বিকাশে কাজে লাগাতে চান। সালাহউদ্দীন নিজেও মনে করছেন, জাতীয় দলে সরাসরি কাজ করার চেয়ে পাইপলাইনে ক্রিকেটার তৈরিতেই তিনি বর্তমানে বেশি প্রভাব রাখতে পারবেন।

নতুন এই দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ে সম্প্রতি বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন সালাহউদ্দীন। সেখানে এইচপি ইউনিটের ভবিষ্যৎ কাঠামো ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে প্রাথমিক রোডম্যাপ চূড়ান্ত হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২৭ সালের বিশ্বকাপ পর্যন্ত তার বর্তমান চুক্তি বহাল থাকছে, ফলে দীর্ঘ সময় ধরে নিজের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগ পাবেন তিনি।

সালাহউদ্দীনের এই নতুন মিশনের মূল লক্ষ্য হলো—শুধু দক্ষ ক্রিকেটার নয়, বরং মানসিকভাবে শক্তিশালী ও পেশাদার মনোভাবসম্পন্ন খেলোয়াড় তৈরি করা। বিশেষ করে সাদা বলের ক্রিকেটে একজন নির্ভরযোগ্য অলরাউন্ডারের যে দীর্ঘদিনের অভাব, সেটি মেটানোকে তিনি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন।

এদিকে, জাতীয় দলের বর্তমান প্রধান কোচ ডেভিড হ্যাম্পের ভূমিকা নিয়েও নতুন পরিকল্পনা করছে বোর্ড। আগামী ৮ মে শুরু হতে যাওয়া পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট এবং ১৬ মে দ্বিতীয় টেস্টের মধ্য দিয়েই জাতীয় দলের ডাগআউটে সালাহউদ্দীনের অধ্যায় শেষ হতে যাচ্ছে। এরপরই তিনি পূর্ণোদ্যমে এইচপি ইউনিটের হাল ধরবেন।

মানবকণ্ঠ/আরআই