ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন বাংলাদেশি তরুণ-তরুণী। কিন্তু কনের পরিবার তা মানতে পারেননি। বিয়ের একমাসের মাথায় মেয়েকে জোর করে ভারতে পাঠিয়ে দেন তারা। এরপর থেকে স্ত্রীকে ফিরে পেতে কলকাতায় বিভিন্ন জায়গায় চেষ্টা করেন সেই যুবক। শেষপর্যন্ত সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের দারস্থ হয়েছেন তিনি।
স্থানীয়রা জানায়, ওই দম্পতির নাম অরিজিৎ এবং মমি সাহা। তাদের বাড়ি বাংলাদেশের নরসিংদী জেলায়। তবে তাদের আত্মীয়স্বজনের অনেকের ভারতে নাগরিকত্ব রয়েছে।
স্ত্রীকে ফিরে পেতে মঙ্গলবারও কলকাতা হাইকোর্টে আসেন ব্যবসায়ী অরিজিৎ। তিনি বলেন, দুই বছর প্রেমের পর মমির পরিবার সম্পর্ক মেনে নিচ্ছিল না, তাই বাধ্য হয়ে আমরা পালিয়ে বিয়ে করি। কিন্তু গত বছরের অক্টোবরে মমির বাবা-মা জোর করে তাকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আত্মীয়ের বাসায় পাঠিয়ে দেয়।
তার দাবি, স্ত্রী তাকে জানায়- কলকাতার বিরাটি এলাকায় পলি সাহা ও উত্তম সাহার বাড়িতে তাকে আটকে রাখা হয়েছে। সেখানে প্রায় পনের দিন তার সঙ্গে যোগাযোগ হয়। এরপর থেকে কোনো খোঁজ পাননি স্ত্রীর। সেজন্য কলকাতায় এসে স্ত্রীর খোঁজ করছেন তিনি।
অরিজিৎ বলেন, ৩ জানুয়ারি ভারতে আসি আমি। পরের দিন বিরাটিতে স্ত্রীকে আনতে যাই। কিন্তু সেখানে তাদের পরিবারের লোকজন আমাকে বেধড়ক মারধর করে। এরপর নিমতা থানায় একাধিকবার যোগাযোগ করি। কিন্তু পুলিশ আমার অভিযোগ নেয়নি।
তিনি জানান, পরে আইনজীবী মুকুল বিশ্বাসের সহায়তায় নিমতা থানার আইসির সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। তবুও পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। এমনকি এফআইআরও করেনি পুলিশ।
তাই স্ত্রীকে ফিরে পেতে সোমবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে জানান অরিজিৎ। তিনি বলেন, এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। আগামী ১৭ মার্চ মামলার শুনানি হবে।




Comments