Image description

তাইওয়ানকে ঘিরে চীনের সাম্প্রতিক বড় আকারের সামরিক মহড়া নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই মহড়াকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা না বাড়াতে বেইজিংকে ‘সংযম’ দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে ওয়াশিংটন। দ্বীপটিকে ‘অবরোধের অনুশীলন’ হিসেবে পরিচালিত এই সামরিক তৎপরতাকে ওই অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হিসেবে দেখছে মার্কিন প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়, চীনের আগ্রাসী ভাষা ও সামরিক তৎপরতা ‘অপ্রয়োজনীয়ভাবে’ আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধি করছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট বলেন, “তাইওয়ান এবং এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশের ওপর চীনের সামরিক চাপ অকারণে উত্তেজনা সৃষ্টি করছে। আমরা বেইজিংকে সংযম প্রদর্শনের পাশাপাশি সামরিক চাপ বন্ধ করে অর্থবহ সংলাপে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”

তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ান প্রণালিতে শান্তি ও স্থিতিশীলতার পক্ষে এবং বলপ্রয়োগের মাধ্যমে বর্তমান অবস্থার একতরফা পরিবর্তনের ঘোর বিরোধী।

উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহের শুরুতে তাইওয়ানকে চারপাশ থেকে ঘিরে ধরে বড় ধরনের সামরিক মহড়া চালায় চীন। এতে বিপুল সংখ্যক যুদ্ধবিমান, নৌযান এবং ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়। বেইজিংয়ের দাবি, তাইওয়ান চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং প্রয়োজনে বলপ্রয়োগ করে হলেও তারা দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ নিতে বদ্ধপরিকর।

এদিকে, গত বুধবার চীন-তাইওয়ানের একত্রীকরণ নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তিনি বলেন, “তাইওয়ান প্রণালীর উভয় পাড়ের মানুষ রক্তের বন্ধনে আবদ্ধ। মাতৃভূমির পুনঃএকত্রীকরণ সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে এবং এটি কেউ ঠেকাতে পারবে না।”