Image description

প্রায় ১৩ ঘন্টা পর সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য, সহ-উপাচার্যসহ অবরুদ্ধ কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা মুক্ত হয়েছেন।

কয়েক দফায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বৈঠকে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়া এবং চেম্বার আদালতের সিদ্ধান্তের পরদিন শাকসু নির্বাচনের ভোট গ্রহণের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১টার দিকে আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেন।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সমস্যা সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয়ে সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে শাবির সিন্ডিকেট সদস্য ও সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জহির বিন আলম জানান, ‘মঙ্গলবার উনারা আবার রিট করবে। রিট করার পরে যদি রায় পেয়ে যায়, তাহলে পরের দিন আবার নির্বাচন হয়ে যাবে। কেইস করেই এটাকে সমাধান করতে হবে। এখন কোর্ট দিয়েই এটাকে সমাধান করতে হবে। আমরা চিল্লালেও কাজ হবে না। আমরা সিন্ডিকেট সভা থেকে ৪/৫ জন বড় উকিলের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বলছে, কোর্টের যেটা নিয়ম, ওইটার কাউন্টার ব্যালেন্স দিতে হবে। ওইটা মঙ্গলবার আমরা আবার তুলবো। যদি ওইটা ওখানে রায় হয়, সেজন্য আমরা আমাদের নির্বাচন কমিশনকে অ্যাকটিভ রাখছি।

তিনি বলেন, মঙ্গলবার রায় পেলে পরদিন শাকসু নির্বাচন হবে ইনশাআল্লাহ। নির্বাচনের জন্য সবাই প্রস্তুত। যদি রায় না পাওয়া যায়, তাহলে আবার উকিলদের সঙ্গে কথা বলবো। শাকসু না হওয়ার কারণ নাই। কারণ নির্বাচন কমিশন তো একটা কাগজে সই করে দিছে যে আমরা নিতে পারবো।

এদিকে, আন্দোলনকারী কয়েকজনের হাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. আশরাফ উদ্দিন ‘লাঞ্ছিত’ হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন ছাত্রদলের বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। 

সংগঠনের সভাপতি রাহাত জামান ও সাধারণ সম্পাদক নাঈম সরকার এক বিবৃতিতে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানান।