বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও মাগুরা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান জানিয়েছেন, তিনি দ্রুত দেশে ফিরতে চান। তবে ফেরার পথে তার প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ‘নিরাপত্তার শঙ্কা’। তিনি স্পষ্ট করেছেন, সাধারণ নাগরিক হিসেবে আইনি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রকার হয়রানির শিকার না হওয়ার নিশ্চয়তা পেলেই তিনি দেশে ফিরবেন।
সম্প্রতি ভারতের মুম্বাইয়ে একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের ইভেন্টে যোগ দিয়ে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
সাক্ষাৎকারে দেশের সর্বকালের সেরা ক্রিকেটার সাকিব বলেন, “(দেশে ফেরার আশা) পুরোপুরিই আছে। আমি ফিরব, আশা করি তাড়াতাড়িই ফিরতে পারব। আমি দেশে ফিরব, কোর্টে যাব, মামলা লড়ব। কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু আমার নিরাপত্তা তো দিতে হবে! এতটুকু তো আশা করতেই পারি।”
নিরাপত্তার বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, “আমি বলছি না যে, আমার জন্য রাস্তা বন্ধ করে দিতে হবে বা পুলিশের গাড়ি সামনে থাকবে। আমি চাচ্ছি একটা স্বাভাবিক নিরাপত্তা— আইনি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমাকে যেন হয়রানি করা না হয়। হয়রানি না করার নিশ্চয়তা যদি কালকে দেওয়া হয়, তবে পরশুই আমি দেশে যাব।”
সাকিব মনে করেন, তার নামে যেসব মামলা করা হয়েছে, সেগুলোর আইনি ভিত্তি খুব একটা জোরালো নয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতির অনিশ্চয়তা নিয়ে তিনি কিছুটা চিন্তিত। তিনি বলেন, “এখন তো আর কোনো কিছু অস্বাভাবিক মনে হয় না! যদিও আমি আশাবাদী যে ওরকম (গ্রেপ্তার) করা হবে না। যতক্ষণ না আমার দোষ প্রমাণিত হচ্ছে, সমস্যা হওয়ার কথা নয়। কিন্তু অনেক কিছুই আমি ভাবতাম এক রকম, হচ্ছে আরেক রকম!”
৫ অগাস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত ২২ অগাস্ট রাজধানীর আদাবর থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়। পোশাককর্মী মো. রুবেলকে হত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে সাকিব আল হাসানকে এই মামলার ২৮ নম্বর আসামি করা হয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে চেক প্রতারণা এবং শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারির অভিযোগেও মামলা রয়েছে।




Comments