ব্যস্ততার শহর ঢাকা, যেখানে প্রতিদিন যানজটই স্বাভাবিক চিত্র। তবে হঠাৎ করেই বদলে গেছে সেই দৃশ্য। প্রধান সড়কগুলোতে নেই তেমন যানবাহন, নেই চিরচেনা হর্নের শব্দ। মাঝে মাঝে দু–একটি অটোরিকশা বা প্রাইভেটকার চোখে পড়লেও, সামগ্রিকভাবে শহরজুড়ে বিরল এক নিস্তব্ধতা নেমে এসেছে—যা ঈদের দিনকেও ছাড়িয়ে গেছে।
তাছাড়া এ নির্বাচন নিয়ে মানুষের মধ্যে আতঙ্কটাও বেশি, উৎসব যেমন আছে নিজের ভোট দেওয়ার আনন্দ যেমন আছে, তেমনি মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। কী হবে, কী হতে চলেছে?
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর ১২টা ঢাকা শহরের বেশিরভাগ সড়ক ছিল ফাঁকা।
পথচারী একজনের সাথে কথা বললে তিনি জানান, এবার নির্বাচন উৎসব আমেজের মধ্যে হবে, সবাই আনন্দে নিয়ে ভোট দেবেন, এ কথাগুলো ঠিক থাকলেও মানুষের মনে কিন্তু আতঙ্ক ঘুরপাক খাচ্ছে। অনেকে বলছেন, আসলে কী হবে কী হচ্ছে চারদিকে মানুষ খোঁজখবর নিচ্ছেন চিন্তিত আছেন তবে সবাই আশা করছেন নির্বাচন যেন একদম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়ে যায়।
এদিকে অ্যাডিশনাল কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিসুর রহমান বলেন, নির্বাচন উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার পাশাপাশি নির্বাচন উপলক্ষে যেমন ধরুন পরিবহন শ্রমিকরা অধিকাংশই ভোট উৎসবে ভোট প্রয়োগ করতে তাদের গ্রামের বাড়িতে গেছেন। পাশাপাশি দূরপাল্লার কিছু বাস আসা-যাওয়া করছে। ঢাকা মহানগর এলাকায় স্বাভাবিক দিনে সড়কে যানবাহনের যেমন প্রচুর চাপ থাকে সেই তুলনায় সড়ক ফাঁকাই বলা চলে।
ঢাকা রেলওয়ে থানার (কমলাপুর) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদিন বলেন, নির্বাচন উপলক্ষে সড়কে যানবাহন স্বল্পতা থাকার কারণেই কমলাপুর রেলস্টেশনে যাত্রীদের ভিড় বেড়েছে। বর্তমানে কমলাপুর রেলস্টেশনে এখনো যাত্রীদের প্রচণ্ড ভিড়।
অপরদিকে স্টেশন থেকে একটি সূত্র জানান, সাড়ে ১০টার দিকে কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে একটি ট্রেন বেরিয়ে যাওয়ার সময় লক্ষ্য করা যায় ট্রেনের ছাদে প্রচুর যাত্রী অবস্থান নিয়েছে আর ভেতরে তো যাত্রীদের গাদাগাদি অবস্থা।
এদিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ বলছে রাজধানীতে সকাল থেকে যানবাহনের তেমন চলাচল লক্ষ্য করা যায়নি বললেই চলে। তবে সড়কে কিছু অটোরিকশা চলাচল করছে পাশাপাশি দুই একটি প্রাইভেটকারও সিএনজিচালিত অটোরিকশা।




Comments