Image description

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় গ্রেপ্তার সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।  সোমবার (২৭ এপ্রিল) মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিপন হোসেন এই আদেশ দেন।

তদন্তে নেমে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই বিভাগের এক শিক্ষার্থী জানান, সুদীপ চক্রবর্তীর সঙ্গে মিমোর ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয়টি বিভাগে আগে থেকেই আলোচিত ছিল। মিমোর উদ্ধারকৃত সুইসাইড নোট এবং মোবাইল ফোনের কথোপকথনের স্ক্রিনশট সেই সম্পর্কের টানাপোড়েনকে আরও স্পষ্ট করেছে।

শিক্ষার্থীরা আরও জানিয়েছেন, সুদীপ চক্রবর্তীর একটি ব্যক্তিগত থিয়েটার গ্রুপ ছিল। সেই গ্রুপের কাজের সূত্রে মিমো এবং তাঁর বান্ধবী উম্মে হানিকে নিয়ে ইংল্যান্ড সফরে গিয়েছিলেন সুদীপ চক্রবর্তী। ধারণা করা হচ্ছে, ওই সফরের সময় বা পরবর্তী সময়ে তাঁদের সম্পর্কের মধ্যে জটিলতা তৈরি হয়, যা শেষ পর্যন্ত মিমোকে আত্মহত্যার পথে ঠেলে দেয়।

এর আগে গত রবিবার সকালে রাজধানীর উত্তর বাড্ডার বাসা থেকে মিমোর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মিমো ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ছিলেন। এ ঘটনায় মিমোর বাবা বাদী হয়ে সুদীপ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জামিনের বিরোধিতা করে বলেন, প্রাথমিক তদন্তে মিমোর আত্মহত্যার পেছনে সুদীপ চক্রবর্তীর জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। তাই তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে জেলহাজতে রাখা প্রয়োজন। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী এটিকে হয়রানিমূলক মামলা দাবি করে জামিন চাইলেও আদালত তা নাকচ করে দেন।

মানবকণ্ঠ/আরআই