উৎসবমুখর পরিবেশ, প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ এবং নান্দনিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (বিবিএ) বিভাগের নবীনবরণ ও বার্ষিক পিকনিক ‘বিবিএ ওরিয়েন্টেশন অ্যান্ড পিকনিক-২০২৬’ সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৭ জুন) ঢাকার অদূরে একটি মনোরম রিসোর্টে দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে পুরো আয়োজনটি এক আনন্দঘন মিলনমেলায় পরিণত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির প্রিন্সিপাল অ্যাডভাইজার প্রফেসর ড. মো. আনোয়ারুল কবির। বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জুলফিকার আলীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্কুল অব বিজনেসের ডিন প্রফেসর আবুল কালাম।
অনুষ্ঠানে কি-নোট স্পিকার হিসেবে বর্তমান কর্পোরেট বিশ্বের বাস্তবতা ও দক্ষতা উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন মাহমুদ সবুজ অ্যান্ড কোং-এর ম্যানেজিং পার্টনার মো. মাহমুদ হোসাইন, এফসিএ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. সাকির হোসেন এবং স্ট্র্যাটেজিক ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড স্টুডেন্টস অ্যাফেয়ার্স বিভাগের প্রধান মুশফিকুর রহমান ধ্রুব। অনুষ্ঠানটির সার্বিক সমন্বয়ে ছিলেন বিবিএ কো-অর্ডিনেটর ও লেকচারার শিশির দাস।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. মো. আনোয়ারুল কবির বলেন, “প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি শুধু উচ্চশিক্ষাই নয়, বরং দক্ষ ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন নেতৃত্ব গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শ্রেণিকক্ষের পাঠদানের পাশাপাশি এমন সহ-শিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিত্ব বিকাশ ও দলগত কাজের মানসিকতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।”
কি-নোট স্পিকার মো. মাহমুদ হোসাইন শিক্ষার্থীদের নিয়মিত আত্মউন্নয়ন, যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসায়িক পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। আলোচনা পর্ব শেষে দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, দলীয় খেলাধুলা, র্যাফেল ড্র এবং স্মৃতিচারণ পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
আয়োজকরা জানান, নতুন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের সঙ্গে পরিচিত করা এবং সিনিয়র-জুনিয়রদের মধ্যে সম্প্রীতি বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই বনভোজনের আয়োজন করা হয়েছে। সমাপনী পর্বে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ার মাধ্যমে এই স্মরণীয় আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments