Image description

সবশেষ সমন্বয়ে সোনার দাম ভরিতে ১০ হাজার ৯০৬ টাকা বাড়িয়েছে বাজুস। ফাইল ছবি

নতুন বছরের শুরু থেকেই দেশের সোনার বাজারে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। বিশ্ববাজারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দাম নির্ধারণ করতে গিয়ে ইদানীং ১২ ঘণ্টাও টিকছে না নির্ধারিত দর। এমনকি মাত্র ৫ ঘণ্টার ব্যবধানেও সোনার দাম পরিবর্তনের নজির তৈরি হয়েছে। বছরের প্রথম ৩৬ দিনেই অন্তত ২৪ বার সোনার দাম সমন্বয় করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

অস্থির এই উত্থান-পতনের মধ্যে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) অবশ্য কিছুটা স্থিতিশীল ছিল বাজার। আগের দিন মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুই দফায় বড় লাফ দেওয়ার পর নতুন করে আর দাম পরিবর্তন করেনি বাজুস। মঙ্গলবার সকালে ভরিতে ৫ হাজার ৪২৪ টাকা বাড়ানোর কয়েক ঘণ্টা পর বিকেলেই আবার ১০ হাজার ৯০৬ টাকা বাড়িয়েছিল সংগঠনটি। 

ফলে বর্তমানে দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) এই নতুন রেকর্ড দামেই সোনা বিক্রি হচ্ছে।

সবশেষ নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম পড়ছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এর আগে গত সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই দফায় দাম কমিয়েছিল বাজুস। ওইদিন ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৪৫ হাজার ৭৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু এক দিনের ব্যবধানেই মঙ্গলবার সেই দাম এক লাফে ১৬ হাজার টাকার বেশি বেড়ে যায়।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের ৩৬ দিনে এখন পর্যন্ত ২৪ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৬ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং কমানো হয়েছে ৮ বার। এর আগে বিদায়ী ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।

মানবকণ্ঠ/ডিআর