Image description

ভালোবেসে বলিউড অভিনেতা রণবীর কাপুরকে বিয়ে করেন অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। গুঞ্জন ওঠে- আলিয়া ভাট কাপুর পরিবারের ঘরনি হয়ে আসার পর থেকেই নাকি রণবীর কাপুর দারুণভাবে বদলে গেছেন। ‘অ্য়ানিমেল’খ্যাত অভিনেতা স্ত্রী আর ছোট্ট মেয়ে রাহাকে নাকি এখন শুধুই চোখেই হারান। তবু আলিয়ার দুশ্চিন্তায় ঘুম আসে না।

যতই শুটিং আর সিনেমায় ব্যস্ত থাকুন না কেন আলিয়া ভাট, মাথায় ঘুরপাক খেতে থাকে একটাই চিন্তা- কীভাবে এই জটিল পৃথিবীতে, সহজ-সুন্দর একটা জীবন দেবেন মেয়েকে। কোন মূল্যবোধে রাহাকে বড় করে তুলবেন তিনি।

অভিনেত্রী মা হওয়ার পর থেকে এ দুশ্চিন্তা তার মনে? আর এর উত্তরের খোঁজেই দীর্ঘদিন যেন ঘুম নেই চোখে আলিয়ার। সম্প্রতি চেন্নাইয়ে হওয়া এক অনুষ্ঠানে সদগুরুকে পুরোটা বলেই ফেললেন অভিনেত্রী- হ্যাঁ, এখানে তিনি বলিউডের ডাকসাইটে অভিনেত্রী নন, বরং ধরা দিলেন সাধারণ মায়ের অবতারেই।

সামাজিক মাধ্যমে সদগুরুর পেজে একটি ভিডিও আপলোড করা হয়েছে। যেখানে দেখা গেছে, সদগুরুর সঙ্গে বিশেষ আলপচারিতায় আলিয়া ভাট। সেখানেই অভিনেত্রী সদগুরুর কাছে জানতে চান-কীভাবে ভালো অভিভাবক হওয়া সম্ভব? সঙ্গে তিনি এও জানান, রাহাকে নিয়ে তিনি সব সময়ই দুশ্চিন্তায় ভোগেন।

রণবীরপত্নীর কথায় মুচকি হাসেন সদগুরু। তিনি বলেন, যে অভিভাবকরা সবসময় সন্তানদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগেন, তারা কখনই ভালো মা-বাবা হতে পারেন না। সদগুরু বলেন, দুশ্চিন্তা করলে, কখনই সন্তান মানুষ করা যায় না। তার চেয়ে বরং নিজের ছন্দে সন্তানকে বড় হতে দেওয়া উচিত। মা-বাবার উচিত-সন্তানের স্তম্ভ হয়ে থাকা বলে জানান সদগুরু।