Image description

ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী শনিবার সতর্ক করে বলেছে, নিরাপত্তা রক্ষা একটি ‘লাল রেখা’ এবং সামরিক বাহিনী জনসম্পত্তি রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক বছরগুলোর সবচেয়ে ব্যাপক বিক্ষোভ দমন করতে ধর্মীয় শাসনব্যবস্থা প্রচেষ্টা জোরদার করেছে।

এই বিবৃতি আসে এমন এক প্রেক্ষাপটে, যখন শুক্রবার ট্রাম্প ইরানের নেতাদের উদ্দেশে নতুন করে হুঁশিয়ারি দেন এবং শনিবার মার্কো রুবিও ঘোষণা করেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সাহসী জনগণের পাশে রয়েছে।’

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, তেহরানের পশ্চিমে কারাজ শহরে একটি পৌর ভবনে আগুন দেওয়া হয়েছে এবং এর জন্য ‘দাঙ্গাকারীদের’ দায়ী করা হয়। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন শিরাজ, কোম ও হামাদান শহরে বিক্ষোভে নিহত বলে দাবি করা নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের জানাজার দৃশ্যও প্রচার করে।

গত দুই সপ্তাহে ইরানের বিস্তীর্ণ এলাকায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। শুরুতে মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে এই আন্দোলন শুরু হলেও, দ্রুত তা রাজনৈতিক রূপ নেয় এবং বিক্ষোভকারীরা ধর্মীয় শাসনের অবসান দাবি করতে থাকে।

কর্তৃপক্ষ এই ‘দাঙ্গা’ উসকে দেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বিক্ষোভকারীদের মধ্যে অন্তত কয়েক ডজন মৃত্যুর তথ্য নথিভুক্ত করেছে।