Image description

ওমানের রাজধানী মাস্কাটে শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। এই আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে ইরানের হাতে থাকা ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ কমপক্ষে ৪৪০ কিলোগ্রাম ইউরেনিয়াম।

আল জাজিরার এক বিশেষ প্রতিবেদনে নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুই কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, তুরস্ক, মিসর ও কাতারের মধ্যস্থতায় প্রস্তাবিত একটি কাঠামোতে ইরানকে এই উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম তৃতীয় কোনো দেশে স্থানান্তরের শর্ত দেয়া হতে পারে। একই সঙ্গে আগামী তিন বছর ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধ রাখতে বলা হতে পারে। পরবর্তী পর্যায়ে সীমিত হারে সমৃদ্ধকরণের অনুমতির কথাও আলোচনায় রয়েছে। 

হাম নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রস্তাবিত কাঠামোয় আরও বলা হয়েছে, ইরানকে ব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যবহার এবং হিজবুল্লাহ ও হুতির মতো সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সহায়তা দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। তবে এসব শর্তে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান কতটা একমত হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। কূটনৈতিক মহলের মতে, মাস্কাটের এই আলোচনা পারমাণবিক ইস্যুতে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটাতে কেন্দ্রস্থল হতে পারে। 

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে, কোনো চুক্তি হলে তা শুধু পারমাণবিক কার্যক্রমেই সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক প্রক্সি বাহিনীগুলোকে দেয়া সহায়তার বিষয়ও এতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। 

অন্যদিকে তেহরান জোর দিয়ে বলছে, আলোচনার পরিধি কেবল পারমাণবিক ইস্যুতেই সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। এই মতপার্থক্যের মধ্যেই মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো প্রাথমিকভাবে আস্থা তৈরির লক্ষ্যে পারমাণবিক বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছে।