প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্বাঞ্চলে সন্দেহভাজন মাদক পাচারকারী নৌযানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর চালানো এই হামলায় দুইজন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) এ্তথ্য নিশ্চিত করেন ইউএস সাউদার্ন কমান্ড। মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
এক্সে দেয়া এক বিবৃতিতে মার্কিন বাহিনী জানায়, বৃহস্পতিবার কমান্ডার জেনারেল ফ্রান্সিস এল. ডোনোভানের নির্দেশে জয়েন্ট টাস্ক ফোর্স সাউদার্ন স্পিয়ার একটি “নির্ধারিত সন্ত্রাসী সংগঠন পরিচালিত” নৌযানের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী সামরিক হামলা চালায়।
এই দিনই আনুষ্ঠানিকভাবে সাউদার্ন কমান্ডের দায়িত্ব গ্রহণ করেন জেনারেল ডোনোভান। এর মাধ্যমে লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্যক্রম ও সম্পৃক্ততার তদারকি তার হাতে আসে।
ট্রাম্প প্রশাসনের আমলে পরিচালিত ‘অপারেশন সাউদার্ন স্পিয়ার’-এর আওতায় সন্দেহভাজন মাদকবাহী নৌকায় চালানো হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ১১৯ জন নিহত হয়েছেন। প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী, এই অভিযান মাদক পাচার রোধের লক্ষ্যেই পরিচালিত হচ্ছে।
চলতি বছরে এটি দ্বিতীয়বারের মতো নৌযানে হামলার ঘটনা। এর আগে জানুয়ারিতে চালানো এক হামলায়ও দুইজন নিহত হন। একজন জীবিত উদ্ধারও হয়েছিলেন সেখানে।
গত সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানের বৈধতা নিয়ে কংগ্রেসে তীব্র প্রশ্ন উঠেছে। একাধিক বর্তমান ও সাবেক সামরিক আইন বিশেষজ্ঞ সিএনএনকে জানিয়েছেন, এই হামলাগুলো আইনগতভাবে বৈধ বলে মনে হয় না। অন্যদিকে ট্রাম্প প্রশাসন কংগ্রেসকে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে মাদক কার্টেলগুলোর বিরুদ্ধে একটি “সশস্ত্র সংঘাতে” জড়িত।
প্রকাশ্যে এসব হামলাকে যুক্তরাষ্ট্রে মাদকের প্রবাহ ঠেকানোর পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরা হলেও প্রশাসনের কর্মকর্তারা আগে গোপনে স্বীকার করেছিলেন যে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে সরানোর লক্ষ্যে চাপ সৃষ্টির মতো কৌশলের অংশ হিসেবে এমনটি করা হয়েছে।




Comments