Image description

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা সদর উপজেলার আনসার ভিডিপি সদস্যকে নিয়োগে অনিয়ম করায় নিয়োগ বঞ্চিত কিছু মহিলা আনসারের তোপের মূখে কার্যালয় ত্যাগ করলেন নিয়োগ কর্তা তারিকুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জেলা আনসার ভিডিপি কার্যালয় চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার ৬শ ৭৫টি ভোট কেন্দ্রের জন্য নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে ১ হাজার ৬শ ৭৫ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য। সেই মোতাবেক ১ হাজার ৬শ ৭৫ জন আনসার ও ভিডিপি নারী, পুরুষ সদস্যকেই নিয়োগ প্রদান করা হবে। সেলক্ষ্যে গত ৩১ জানুয়ারি শনিবার ১ হাজার ৬শ ৭৫ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্যকে যাচাই-বাছাই করা হয়। সে অনুযায়ী ওইসব আনসার সদস্যদের অনলাইনে তালিকা তৈরি করা হয়। ফলে তারা নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের জন্য নিয়োগ চুড়ান্ত হয়েছে বলে তাদের মোবাইল ফোনে ক্ষুদেবার্তা পান তারা। 

বল্লঝার গ্রামের মোজাম্মেল হক, এর মেয়ে খতেজা খাতুন, হোসেন আলির মেয়ে জহুরা বেগম ও বাদিয়াখালী গ্রামের আঃ জলিল এর মেয়ে রিক্তা বেগম নিয়োগ নেয়ার জন্য আনসার ভিডিপির অফিস কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে আসেন।

অনেকেই জানতে পারেন তাদের অনলাইনের তালিকা থেকে বাদ দিয়ে জেলা কমান্ডড্যান্টের নির্দেশে নিয়োগ কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম অনেকের কাছে ঘুষের বিনিময়ে তাদেরকে নিয়োগ দিচ্ছেন। 

নিয়োগ বঞ্চিত রিক্তা বেগম জানান, ২১জানুয়ারি  যাদের মুঠোফোনে ক্ষুদে বার্তা দেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে অনেকেই বাদ দিয়ে ঘুষ নিয়ে নিয়োগ দিচ্ছেন নিয়োগ কর্তারা। ফলে নিয়োগ বঞ্চিতদের চাপের মুখে জেলা আনসার ভিডিপির নিয়োগ কর্তা তারিকুল ইসলাম কার্যালয় ত্যাগ করেন। বাছাইকৃত অনলাইনের তালিকা থেকে বাদ দিয়ে ঘুষ নিয়ে চাকরিতে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।  

এ বিষয়ে অভিযুক্ত উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা তারিকুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি ঘুষ নিয়ে নিয়োগ দেয়ার কথা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, বৈধভাবেই নির্বাচনের জন্য নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তবে ঘুষ নেয়ার অভিযোগটি অস্বীকার করেন।

জেলা আনসার কমান্ডার এর সংগে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, অনিয়মের কথা শুনেছি, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।