Image description

ক্যারিবীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরে মাদক পাচারকারী নৌকা লক্ষ্য করে অভিযানের দায়িত্বে থাকা মার্কিন সামরিক কমান্ড মঙ্গলবার নিশ্চিত করেছে যে মাদক পাচার দমনে তারা ইকুয়েডরের সঙ্গে যৌথ অভিযান শুরু করেছে।

মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড (সাউথকম) জানায়, দুই দেশ ইকুয়েডরে ‘নির্ধারিত সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর’ বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে।

এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়, ‘এই অভিযান লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের অংশীদারদের নার্কো-সন্ত্রাসবাদের অভিশাপ মোকাবিলার অঙ্গীকারের শক্তিশালী উদাহরণ।’

পোস্টে আরো বলা হয়, ‘একসঙ্গে আমরা সেই নার্কো-সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দৃঢ় পদক্ষেপ নিচ্ছি, যারা দীর্ঘদিন ধরে পুরো অঞ্চলের নাগরিকদের ওপর সন্ত্রাস, সহিংসতা ও দুর্নীতি চাপিয়ে দিয়েছে।’

এই ঘোষণা আসে দক্ষিণ আমেরিকার দেশটি এক দিন আগে বলার পর যে তাদের মাদকবিরোধী যুদ্ধে ওয়াশিংটন ‘নতুন পর্যায়ে’ যোগ দিয়েছে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম কোকেন উৎপাদক দেশ যথাক্রমে কলম্বিয়া ও পেরুতে উৎপাদিত প্রায় ৭০ শতাংশ মাদক পার্শ্ববর্তী ইকুয়েডরের মধ্য দিয়ে পাচার করা হয়।

মাদক ব্যবসা ঘিরে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর রক্তক্ষয়ী আধিপত্যের লড়াই কয়েক বছরের মধ্যে লাতিন আমেরিকার অন্যতম নিরাপদ দেশকে সবচেয়ে প্রাণঘাতী দেশগুলোর একটিতে পরিণত করেছে।

২০২৩ সালে ডানপন্থী নোবোয়া ক্ষমতায় আসার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইকুয়েডর নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করেছে।

গত বছর নোবোয়া বন্ধ হয়ে যাওয়া একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেন, তবে নভেম্বরের গণভোটে বিদেশি সামরিক ঘাঁটি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত বাতিলের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ায় ইকুয়েডরের জনগণ তা নাকচ করে দেয়।

ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা দেয়, মান্তা বন্দর নগরীতে অবস্থিত সাবেক মার্কিন ঘাঁটিতে সাময়িকভাবে বিমানবাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে।