Image description

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে বিশ্বের অন্তত ২২টি দেশ একযোগে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে। দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া।

শনিবার এক যৌথ বিবৃতিতে দেশগুলো ওই ঘোষণা দেয়। তারা ইরানের পক্ষ থেকে নৌপথটি কার্যত বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দিতে ওই ২২ দেশ প্রস্তুত। এই জোটে ইউরোপীয় দেশগুলোর পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ও বাহরাইন রয়েছে। খবর দ্য গার্ডিয়ানের

বিবৃতিতে দেশগুলো বলে, ‘আমরা হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিতে আমাদের প্রস্তুতির কথা জানাচ্ছি। যেসব দেশ এরইমধ্যে এ বিষয়ে প্রাথমিক পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি শুরু করেছে, আমরা তাদের স্বাগত জানাই।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘উপসাগরীয় অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের সাম্প্রতিক হামলা, তেল ও গ্যাস স্থাপনার মতো বেসামরিক অবকাঠামোয় আক্রমণ এবং ইরানি বাহিনী হরমুজ প্রণালিকে কার্যত অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনার বিষয়ে আমরা তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ন্যাটো মিত্রদের ‘কাপুরুষ’ বলে গালি দিচ্ছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রকে এই দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নেওয়ার কথা বলছেন, ঠিক তখন ২২ দেশের জোটবদ্ধ হওয়ার ঘটনা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। যদিও তারা সরাসরি সামরিক অভিযানের কথা বলেনি, একটি সমন্বিত নৌ-সুরক্ষা বলয় তৈরির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন হয়। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধের জেরে এই জলপথটি অনিরাপদ হয়ে পড়েছে, যার ফলে বিশ্ব বাজারে তেলের দাম বাড়ছে।