Image description

ফাইল ছবি

ইসরায়েলের ওপর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের হামলা করেছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটিই তাদের প্রথম এ ধরনের হামলা।

শনিবার হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার-জেনারেল ইয়াহিয়া সারি বিদ্রোহীদের আল-মাসিরাহ স্যাটেলাইট টেলিভিশনে এই হামলার ঘোষণা দেন। -আল জাজিরা

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে।

শুক্রবার সারি এক অস্পষ্ট বিবৃতিতে বিদ্রোহীদের যুদ্ধে যোগদানের ইঙ্গিত দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরেই এই হামলাটি ঘটে। এই যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যকে কাঁপিয়ে দিয়েছে এবং বিশ্ব অর্থনীতিকে নাড়িয়ে দিয়েছে।

শনিবার সারি বলেছেন, বিদ্রোহীরা দক্ষিণ ইসরায়েলে ‘সংবেদনশীল ইসরায়েলি সামরিক স্থাপনা’ লক্ষ্য করে একের পর এক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।

হুথিরা ২০১৪ সাল থেকে ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখল করে রেখেছে এবং এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধে হস্তক্ষেপ করেনি।

ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ চলাকালীন মিলিশিয়াদের জাহাজগুলোর ওপর হামলা লোহিত সাগরের বাণিজ্যিক চলাচলকে ব্যাহত করেছিল, যে পথ দিয়ে প্রতি বছর প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য যাতায়াত করত।

২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত হুথি বিদ্রোহীরা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে ১০০টিরও বেশি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে, এতে দুটি জাহাজ ডুবে গেছে এবং চারজন নাবিক নিহত হয়েছেন।

২০২৪ সালে ট্রাম্প প্রশাসন হুথিদের বিরুদ্ধে হামলা শুরু করে, যা কয়েক সপ্তাহ পরেই শেষ হয়ে যায়।

হুথিদের উপ-তথ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ মনসুর শনিবার স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, “আমরা এই লড়াইটি ধাপে ধাপে পরিচালনা করছি এবং বাব আল-মান্দাব প্রণালী বন্ধ করে দেওয়া আমাদের অন্যতম একটি বিকল্প।”

ইয়েমেনের রাজধানী সানা থেকে আল জাজিরার ইউসুফ মাউরি জানিয়েছেন, বাব আল-মান্দাব প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী ইসরায়েল-সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোর ওপর সম্ভাব্য নৌ অবরোধ ইসরায়েলের অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে, কারণ দেশটির প্রায় ৩০ শতাংশ আমদানি লোহিত সাগরের এই জলপথ দিয়েই হয়ে থাকে।