কাতার ও বিশ্বের অন্যান্য দেশে জব্দ করে রাখা ইরানের সম্পদ মুক্ত করে দিতে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার (১১ এপ্রিল) ইরানের এক কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এ সিদ্ধান্ত ছিল আলোচনার আগে তাদের ‘সদিচ্ছার পরীক্ষা’। এছাড়া মার্কিনিরা এ আলোচনাকে গুরুত্ব দিচ্ছে এটি সেটিরও একটি ইঙ্গিত বলে জানিয়েছেন এ কর্মকর্তা।
তিনি আরও বলেছেন, জব্দকৃত সম্পদ মুক্ত করার বিষয়টি সরাসরি ‘হরমুজে জাহাজ চলাচলের’ সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। অর্থাৎ ইরান হরমুজে কোনো বাধা ছাড়া জাহাজ চলতে দেবে এমন শর্তে তাদের জব্দকৃত সম্পদ ছেড়ে দিচ্ছে মার্কিনিরা।
গতকাল ইরানের স্পিকার বাঘের ঘালিবাফ মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে এক পোস্টে জানান, পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তারা ততক্ষণ আলোচনা শুরু করবেন না, যতক্ষণ লেবাননে ইসরায়েল হামলা বন্ধ না করবে এবং তাদের জব্দকৃত সম্পদ যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে না দেবে।
মার্কিনিদের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের পণ্য বিক্রির বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আটকে আছে।
এদিকে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় দখলদার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। এরপর টানা ৪০ দিন তাদের মধ্যে যুদ্ধ হয়। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধ থামলেও; এ যুদ্ধবিরতি প্রথম থেকেই বেশ ভঙ্গুর। ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল হুমকি দিয়েছেন, যদি আলোচনা ব্যর্থ হয় তাহলে ইরানে আবারও হামলা শুরু হবে। এরজন্য জাহাজকে অস্ত্রেসজ্জিত করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।




Comments