ইরানের ওপর আরোপিত আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে কার্যকর করার লক্ষ্যে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে ‘এম/টি টিফানি’ নামের একটি বিশালাকার তেলের ট্যাঙ্কার জব্দ করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। সোমবার (২০ এপ্রিল) রাতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের নির্দেশে নবগঠিত ‘যুদ্ধ মন্ত্রণালয়’ (সাবেক পেন্টাগন) এই অভিযান পরিচালনা করে।
মার্কিন প্রশাসনের দাবি, জব্দ করা এই জাহাজটি ইরানকে সহায়তা করার একটি অবৈধ নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। মূলত ইরানের অর্থনৈতিক পথগুলো রুদ্ধ করতে এবং তাদের জ্বালানি বা মালামাল পরিবহনে নিয়োজিত নিষিদ্ধ জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে এই সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বিবৃতিতে মার্কিন সামরিক কর্তৃপক্ষ জানায়, ইরানকে যে কোনো ধরনের মালামাল বা আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছে এমন সব নেটওয়ার্ক ও নিষিদ্ধ জাহাজের ওপর বিশ্বজুড়ে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। তারা স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, বিশ্বের যে প্রান্তেই এ ধরনের কোনো জাহাজ খুঁজে পাওয়া যাবে, সেখানেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই ঘটনাটি মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ওপর অর্থনৈতিক ও সামরিক চাপ বাড়ানোর যে নীতি ট্রাম্প প্রশাসন গ্রহণ করেছে, এই জাহাজ জব্দের ঘটনা তারই একটি জোরালো বহিঃপ্রকাশ। এই অভিযানের ফলে আন্তর্জাতিক নৌ-পথে ইরানের বাণিজ্য আরও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: আলজাজিরা।
মানবকণ্ঠ/আরআই




Comments