পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া সীমান্ত সংঘর্ষে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। পাকিস্তানের দাবি অনুযায়ী, গত দুই দিনে দেশটির উত্তর-পশ্চিমের বাজৌর উপজাতীয় জেলায় আফগান বাহিনীর হামলায় অন্তত ৯ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং ১৫ জন আহত হয়েছেন। তবে ইসলামাবাদের এসব অভিযোগের বিষয়ে কাবুলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে জানিয়েছেন, গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার আফগান সীমান্ত রক্ষীবাহিনী বাজৌর জেলায় “বিনা উস্কানিতে ও অপরাধমূলকভাবে” বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করেছে। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে।
তিনি আরও জানান, শুক্রবার একটি ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালে ‘ফিতনা আল খাওয়ারিজ’-এর পক্ষ থেকে একটি ড্রোন (কোয়াডকপ্টার) হামলা চালানো হয়, যাতে তিনজন বেসামরিক নাগরিক আহত হন।
উল্লেখ্য, পাকিস্তান সরকার তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)-কে ‘ফিতনা আল খাওয়ারিজ’ নামে অভিহিত করে থাকে এবং তাদের দাবি অনুযায়ী, এই গোষ্ঠীকে কাবুল সরাসরি সমর্থন দিচ্ছে।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে আফগানিস্তানও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছিল। কাবুলের দাবি অনুযায়ী, দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় কুনার প্রদেশে পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৪ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং ৭০ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৩০ জনই শিক্ষার্থী। এই হামলায় আবাসিক এলাকা এবং সৈয়দ জামালউদ্দিন আফগানি বিশ্ববিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে আফগানিস্তান জানায়।
তবে তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহর তারার এই অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
উভয় পক্ষের দাবিগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
_____
এআর/এমকে




Comments